২০ জুন বাংলায় মোদীর সফর, তার আগেই লোকসভায় তৃণমূল ভাঙার হুঁশিয়ারি দিলীপ ঘোষের

রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের মাস পার হওয়ার আগেই বাংলায় পা রাখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামী ২০ জুন একঝাঁক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এই সফর ঘিরে প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রাজ্যের সামগ্রিক পরিকাঠামো উন্নয়নে বড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত মিলেছে।
উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের প্রভাব
পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর বাংলার মানুষের কাছে করা ‘নতুন বাংলা’ গড়ার প্রতিশ্রুতিরই অংশ। এক মাসের কম সময়ে বর্তমান সরকার যে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা নজিরবিহীন বলে দাবি করেন তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণোর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকের পর থেকেই কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সমন্বয়ে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে চলেছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
তৃণমূলের অন্দরে ভাঙনের ইঙ্গিত
উন্নয়নের আলোচনার পাশাপাশি লোকসভায় তৃণমূলের বর্তমান স্থায়িত্ব নিয়ে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। বিধানসভায় তৃণমূলের বিধায়কদের একাংশের বিদ্রোহের পর থেকেই রাজ্যে শাসকদলের ভিত নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। এবার লোকসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির এই প্রভাবশালী নেতা। কলকাতায় মেয়রের পদ থেকে ফিরহাদ হাকিমের ইস্তফার রেশ কাটতে না কাটতেই তৃণমূলের লোকসভা সদস্য সংখ্যার দিকে ইঙ্গিত করে দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবল জল্পনা উসকে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফরের ঠিক আগে এই রাজনৈতিক বার্তা বাংলার ক্ষমতার সমীকরণে বড় কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।