সহজ কৌশলেই কমবে বয়স, ঝটিতি মেকআপে নজরকাড়া হয়ে ওঠার উপায়

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রূপটানের সংজ্ঞা বদলেছে। এখন চড়া মেকআপের চেয়ে হালকা ও স্বাভাবিক সাজের দিকেই ঝুঁকছেন ফ্যাশন সচেতন মানুষেরা। সঠিক রূপটানের কৌশল জানা থাকলে খুব সহজেই যেকোনো সাধারণ সাজকে অনন্য করে তোলা সম্ভব, যা একই সঙ্গে মুখের বয়সের ছাপ লুকিয়ে এক উজ্জ্বল ও তরুণ লুক এনে দেয়। পেশাদার রূপটান শিল্পীদের সাহায্য ছাড়াই ঘরে বসে কীভাবে এই জাদুকরী সাজ ফুটিয়ে তোলা যায়, তার কিছু বিশেষ পদ্ধতি প্রকাশ পেয়েছে।
ত্বকের প্রস্তুতি ও উজ্জ্বল আভা
যেকোনো মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী এবং মসৃণ করতে ত্বকের প্রাথমিক প্রস্তুতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ত্বক পরিষ্কার করে প্রথমে উপযুক্ত ময়েশ্চারাইজ়ার এবং তারপর প্রাইমার ব্যবহার করতে হবে। প্রাইমার ত্বকের উন্মুক্ত লোমকূপ ও খুঁত ঢেকে একটি মসৃণ পরত তৈরি করে। বর্তমান সময়ে চড়া ফাউন্ডেশনের চেয়ে ত্বকের স্বাভাবিক দীপ্তি ফুটিয়ে তোলা বেশি জনপ্রিয়। এর জন্য ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সামান্য ‘লুমি ক্রিম’ মিশিয়ে ত্বকে লাগালে একটি শিশিরভেজা কোমল আভা তৈরি হয়, যা নিমেষেই বয়সের ছাপ লুকিয়ে ত্বককে সতেজ দেখায়।
ব্লাশ ও ঠোঁটের সঠিক কারিকুরি
সঠিক ব্লাশ এবং লিপস্টিকের ব্যবহার পুরো চেহারার আমেজ বদলে দিতে পারে। শুষ্ক ত্বকের জন্য ক্রিম ব্লাশ এবং গরমের দিনে পাউডার ব্লাশ ব্যবহার করা উপযোগী। গালে সঠিক ব্লাশের ছোঁয়া চেহারায় একটি সজীব ও তরুণ ভাব এনে দেয়। অন্যদিকে, ঠোঁট সুন্দর দেখাতে লিপ লাইনারের ভূমিকা অপরিসীম। পাতলা ঠোঁটকে আকর্ষণীয় করতে মূল রেখার সামান্য বাইরে দিয়ে লিপ লাইনার টেনে লিপস্টিক বা ক্রিমি লিপ বাম দিয়ে ভরাট করে নিতে হবে। লাইনার ও লিপস্টিকের রঙের সামঞ্জস্য এবং ঠোঁটের ভেজা ভাব চেহারায় এক নজরকাড়া ও কম বয়সী লুক এনে দেয়।