অভিষেকের ‘সেনাপতি’ কি এবার শিবির বদলাচ্ছেন? দিল্লিতে সায়নীকে ঘিরে জোর জল্পনা!

অভিষেকের ‘সেনাপতি’ কি এবার শিবির বদলাচ্ছেন? দিল্লিতে সায়নীকে ঘিরে জোর জল্পনা!

লোকসভা নির্বাচনের পরেই তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলে বড়সড় ভাঙনের চিত্র সামনে এসেছে। বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ-তে সামিল হতে চেয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন তৃণমূলের ২০ জন সাংসদ। সোমবার সকালে দিল্লিতে বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পরেই এই সিদ্ধান্ত নেন বিক্ষুব্ধরা। লোকসভায় ঘাসফুল শিবিরের মোট ২৮ জন সাংসদ রয়েছেন, যার অর্ধেকের বেশি সদস্যের এই দলবদলের সিদ্ধান্ত জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

সুর বদল সায়নীর?

এই দলবদলের হাওয়ায় সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে উঠে আসছে যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষের নাম। সদ্য গঠিত দলীয় কমিটিতে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া সায়নী একসময় বামমনস্ক ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচক হলেও পরবর্তীতে তাঁর এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। তবে সূত্রের খবর, অভিষেকের বিশ্বস্ত হিসেবে পরিচিত এই সাংসদও এবার বিদ্রোহী ব্লকে নাম লেখাচ্ছেন। তাঁর এই হঠাৎ অবস্থান পরিবর্তন তৃণমূলের অন্দরের গভীর অসন্তোষকেই স্পষ্ট করে তোলে।

রাজ্যসভাতেও কি অপারেশন লোটাসের ছায়া?

দিল্লিতে এই নাটকীয় ঘটনার পর বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়ের বাসভবনে ফের একপ্রস্থ বৈঠক করেন বিক্ষুব্ধরা, যেখানে উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই সাক্ষাতের পর রাজ্যসভার ক্ষেত্রেও দলবদলের সম্ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও বিক্ষুব্ধ সাংসদরা দাবি করেছেন এটি নিছকই সান্ধ্য আড্ডা। দলীয় নেতৃত্বের প্রতি ক্ষোভ ও দূরত্বই এই বিদ্রোহের প্রধান কারণ, যার সুদূরপ্রসারী প্রভাব আগামী দিনে রাজ্যের সংসদীয় রাজনীতি ও ক্ষমতার ভারসাম্যে পড়তে বাধ্য।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *