তোলাবাজি, জলাশয় ভরাটসহ নানা অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সজল দাস!

তোলাবাজি, মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জলাশয় ভরাট-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে গ্রেফতার হলেন তৃণমূল নেতা সজল দাস। তিনি ব্যারাকপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ এবং বিলকান্দা ২ অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। মঙ্গলবার গভীর রাতে বারাসাত-নীলগঞ্জ এলাকা থেকে নিউ ব্যারাকপুর থানার পুলিশ তাকে পাকড়াও করে।
দীর্ঘদিনের অভিযোগ ও এলাকাবাসীর ক্ষোভ
কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে লাগোয়া এলাকায় জমির দালালি, পুকুর ভরাট, তোলাবাজি এবং মারধরের মতো নানা অসামাজিক কার্যকলাপের সঙ্গে তার জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল দীর্ঘদিনের। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জমা হওয়া সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এবং স্থানীয়দের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের ভিত্তিতেই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সজল দাসের গ্রেফতারে লেনিনগড় ও বিলকান্দা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়লেও, দীর্ঘদিন পর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে মুক্তির আশায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
আইনগত পদক্ষেপ ও সম্ভাব্য প্রভাব
মঙ্গলবার রাতে তাকে থানায় নিয়ে আসার পর নিউ ব্যারাকপুর থানা চত্বরে স্থানীয় বহু মানুষ ভিড় জমান। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ধৃত নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও মারধর-সহ একাধিক মামলা রয়েছে। বুধবার তাকে ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হয়। মনে করা হচ্ছে, এই ধরনের কঠোর পদক্ষেপ স্থানীয় পর্যায়ে বেপরোয়া দুর্নীতি ও পেশিশক্তির দাপট কমাতে বড় ভূমিকা রাখবে এবং এলাকায় জননিরাপত্তা বজায় রাখতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।