বাবার স্মৃতিই এখন বাঁচার শক্তি, প্রথমবার মুখ খুললেন ববি দেওল!

বাবার স্মৃতিই এখন বাঁচার শক্তি, প্রথমবার মুখ খুললেন ববি দেওল!

পিতা ও কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণের পর দীর্ঘ সময় ধরে এক গভীর শূন্যতা ও মানসিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে কাটিয়েছেন ববি দেওল। ২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বর ৮৯ বছর বয়সে ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু দেওল পরিবারে যে শোকের ছায়া ফেলেছিল, তা ববির ব্যক্তিগত জীবনে এক গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ববি প্রথমবারের মতো সেই কঠিন দিনগুলোর কথা জনসমক্ষে প্রকাশ করেছেন।

শোক থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প

বাবাকে হারানোর পরবর্তী কয়েক মাসের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে ববি জানান, প্রিয়জনকে হারানোর বেদনা তাঁকে ভিতর থেকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। প্রথমদিকে চরম দুর্বলতা ও মানসিক অস্থিরতা গ্রাস করলেও ধীরে ধীরে বাবার স্মৃতিই তাঁর বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। ববির কথায়, যে স্মৃতিগুলো একসময় তাঁকে কাঁদাত, এখন সেই স্মৃতিগুলোই তাঁকে সাহস জোগাচ্ছে। তিনি অনুভব করেন যে, বাবা শারীরিকভাবে পাশে না থাকলেও অদৃশ্যভাবে তাঁকে আজও দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন।

বাবার হাসি ও কাজের প্রেরণা

সাক্ষাৎকারে ববি আবেগাপ্লুত হয়ে বাবার শেষ জীবনের একটি বিশেষ মুহূর্তের কথা স্মরণ করেন। মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে সোফায় বসে বাবার সেই সরল হাসি এবং তাঁকে ভালোবেসে ‘বব’ বলে ডাকার মুহূর্তটি আজও অভিনেতার স্মৃতিপটে অমলিন। ৮৯ বছর বয়সেও কাজের প্রতি ধর্মেন্দ্রর যে অদম্য আগ্রহ ছিল, তা ববিকে জীবনের কঠিন সময়েও এগিয়ে যাওয়ার শিক্ষা দিয়েছে। বাবার সেই কর্মস্পৃহা ও জীবনদর্শনকে পাথেয় করেই ববি দেওল এখন নিজের অভিনয় জীবন ও ব্যক্তিগত শোককে সামলে এগিয়ে চলেছেন। এই ঘটনার প্রভাব হিসেবে ববি নিজেকে আরও পরিপক্ব ও মানসিকভাবে শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তুলছেন, যেখানে বাবার শিক্ষা ও স্মৃতিই তাঁর প্রধান চালিকাশক্তি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *