কলকাতায় ফিরলেন সায়নী ঘোষ, শিবির বদল নিয়ে নীরবতায় বাড়ছে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে যখন ভাঙনের সুর ক্রমশ তীব্র হচ্ছে, ঠিক সেই সময়েই চর্চার কেন্দ্রে চলে এসেছেন যুব সভানেত্রী সায়নী ঘোষ। দলের অন্দরমহলে যখন নেতাদের একের পর এক দলত্যাগের খবর শিরোনামে, তখন সায়নীর রহস্যময় নীরবতা ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তাঁর অনুপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে এক গভীর ধোঁয়াশা তৈরি করেছে। দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে কলকাতায় ফিরলেন তিনি।
দলের অন্দরে প্রশ্ন ও অস্পষ্ট অবস্থান
তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থাভাজন হিসেবে নতুন কমিটিতে যুব সভানেত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পরেও সায়নী ঘোষের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় তাঁর নাম থাকা এবং লোকসভার স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া চিঠিতে তাঁর স্বাক্ষরের গুঞ্জন চাউর হতেই অস্বস্তিতে পড়েছে শাসকদল। দলের অন্দরের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তাঁর সক্রিয়তা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলের একাংশ। কর্মীরা এখন নেত্রীর কাছ থেকে সরাসরি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট বার্তার অপেক্ষায় রয়েছেন।
বিমানবন্দরে নীরব সায়নী
বৃহস্পতিবার দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণের পর সায়নীকে ঘিরে সংবাদমাধ্যমের কৌতূহল ছিল তুঙ্গে। মাথায় টুপি ও মুখে মাস্ক পরা সায়নীকে দ্রুত বিমানবন্দরের বাইরে বেরিয়ে গাড়িতে উঠে পড়তে দেখা যায়। শিবির বদল সংক্রান্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি কার্যত নীরবতাই বজায় রেখেছেন। তাঁর এই আচমকা প্রত্যাবর্তন এবং প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা দলীয় কর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সায়নীর আগামী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়েই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।