সল্টলেকের পর এবার দিঘার সৈকত থেকেও সরছে বিশ্ববাংলার লোগো!

কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের বিতর্কিত মূর্তি ভাঙার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার দিঘার পর্যটন কেন্দ্রেও পড়ল বুলডোজার। বৃহস্পতিবার (১২ জুন) সৈকত শহর পুরনো দিঘার ১ নম্বর বিশ্ববাংলা গেট সংলগ্ন এলাকা থেকে বিশ্ববাংলার ‘ব’ লোগোটি সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সরকারি এই প্রতীক বা শিল্পকলা সরিয়ে নেওয়ার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
পটভূমি ও অপসারণের কারণ
রাজ্যে পালাবদলের পর সরকারি লোগো হিসেবে বিশ্ববাংলার ‘ব’-এর বদলে জাতীয় প্রতীক বা অশোক স্তম্ভ ব্যবহারের নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি সল্টলেকের যুবভারতী স্টেডিয়ামের সামনে থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নকশা করা বিতর্কিত মূর্তি ভেঙে ফেলা হয়। ২০১৭ সালে যুবভারতী স্টেডিয়াম সংস্কারের সময় ওই ‘অদ্ভুত’ মূর্তি ও লোগো স্থাপন করা হয়েছিল, যা নিয়ে ফুটবলপ্রেমী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র বিতর্ক ও ধোঁয়াশা ছিল। সেই রেশ ধরেই পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ দিঘার সমুদ্র সৈকতে ছড়িয়ে থাকা ছোট-বড় একাধিক বিশ্ববাংলা লোগোর মধ্যে পুরনো দিঘার এই বিশেষ লোগোটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
সৌন্দর্যায়ন ও প্রশাসনিক প্রভাব
দিঘার মতো জনপ্রিয় একটি সৈকত শহরে এই ধরনের লোগো অপসারণের ফলে এলাকার দৃশ্যমানতায় বড় পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। রাজনৈতিক বা বিতর্কিত প্রতীক সরিয়ে নিয়ে সৈকত এলাকার স্বাভাবিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনাই এর মূল উদ্দেশ্য। পাশাপাশি, সরকারি নীতি ও নকশার সামঞ্জস্য বজায় রাখতে রাজ্যের অন্যান্য শহরের পাশাপাশি দিঘা থেকেও বিতর্কিত বা অতিরিক্ত লোগো ও স্থাপত্যগুলো ছেঁটে ফেলার প্রক্রিয়াটি পর্যটন কেন্দ্রগুলোর চেহারাতেও বড় প্রভাব ফেলবে।