ফোনে মেলেনি সাড়া, দিদির বাড়ি গিয়ে বোনের রক্তার্তি দেহ দেখে চিৎকার করে উঠলেন বোন! নৃশংস হত্যাকাণ্ড

ফোনে মেলেনি সাড়া, দিদির বাড়ি গিয়ে বোনের রক্তার্তি দেহ দেখে চিৎকার করে উঠলেন বোন! নৃশংস হত্যাকাণ্ড

বিয়ের ১০ বছর পর পারিবারিক বিবাদের জেরে স্ত্রীকে গলা কেটে নৃশংসভাবে খুন করল স্বামী। হায়দরাবাদের বাহাদুরপুরা থানার কিষাণবাগ এলাকায় রবিবারের এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত মহিলার নাম নিশাত বেগম। ২০১৬ সালে সুলেমান নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল।

পুলিশ জানিয়েছে, বিয়ের পর থেকেই এই দম্পতির মধ্যে প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত। একাধিকবার পরিবারের বয়স্করা বসে তা মিটিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করেন। এমনকি বছরখানেক আগে নিশাত তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও দায়ের করেছিলেন। যদিও পরে দুই পরিবারের মধ্যস্থতায় তাঁরা আবার একসঙ্গেই থাকা শুরু করেন।

ফোন না তোলায় সন্দেহ, দিদির বাড়ি পৌঁছাতেই চোখ কপালে বোনের:

রবিবার নিশাতের মা ও বোন তাঁকে বারবার ফোন করছিলেন। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ ফোন না তোলায় বোনের মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। নিশাত ঠিক আছেন কি না তা দেখতে সরাসরি তাঁর কিষাণবাগের বাড়িতে পৌঁছান বোন। বাড়ির ভেতরে ঢুকতেই তাঁর পা কাঁপতে শুরু করে। ঘরের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় নিথর হয়ে পড়েছিলেন নিশাত।

ছুরি দিয়ে গলা কেটে খুন:

খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বাহাদুরপুরা থানার পুলিশ। ফলকনুমা-র এসিপি এম. এ. জাভেদ জানান, রবিবার কোনো বিষয় নিয়ে সুলেমান ও নিশাতের মধ্যে তুমুল ঝগড়া বেঁধেছিল। সেই সময় রাগের মাথায় একটি ধারালো ছুরি দিয়ে নিশাতের গলা কেটে দেয় সুলেমান। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত স্বামী। তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *