আমেরিকা না থাকলে ইজরায়েল টিকত না! নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

আমেরিকা না থাকলে ইজরায়েল টিকত না! নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

দীর্ঘদিনের মিত্র দেশ হলেও সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সম্পর্কে বড়সড় ফাটল দেখা দিয়েছে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ওপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপা ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে। মঙ্গলবার ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে একটি বৈঠকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ক্ষোভ উগরে দিয়ে এমন এক মন্তব্য করেছেন, যা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে রীতিমতো আলোড়ন ফেলে দিয়েছে।

ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য ও নেতানিয়াহুর নীরবতা

জি-৭ সম্মেলনের ওই বৈঠকে ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, আমেরিকা পাশে না থাকলে ইজরায়েলের কোনও অস্তিত্বই থাকত না। মিত্র দেশের প্রতি আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতার এমন কড়া মন্তব্য অত্যন্ত বিরল। সাম্প্রতিক কিছু ভূ-রাজনৈতিক ও দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতেই নেতানিয়াহুর পদক্ষেপে ট্রাম্প ক্রমশ অসন্তুষ্ট হচ্ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটল এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে। তবে এই তীব্র আক্রমণের পর ইজরায়েলের তরফ থেকে বা প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও পাল্টা বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণে সম্ভাব্য প্রভাব

আমেরিকা ও ইজরায়েলের এই ক্রমবর্ধমান দূরত্ব আন্তর্জাতিক রাজনীতি, বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে ইজরায়েলের সবচেয়ে বড় সামরিক ও কূটনৈতিক ঢাল হিসেবে কাজ করেছে আমেরিকা। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের এই প্রকাশ্য বিরোধ ইজরায়েলকে যেমন কূটনৈতিকভাবে চাপে ফেলতে পারে, তেমনই ওই অঞ্চলে তাদের বিরোধীদের নতুন করে উৎসাহিত করার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। আগামী দিনে এই দ্বন্দ্ব কোন দিকে মোড় নেয়, তার ওপর নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ কূটনীতি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *