আইটিআর থেকে টিডিএস, জুলাইয়ের এই ডেডলাইনগুলো মিস করলেই বড় জরিমানা!

চলতি ২০২৬ সালের জুলাই মাসটি করদাতাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত একটি সময় হিসেবে চিহ্নিত হতে চলেছে। আয়কর রিটার্ন (আইটিআর) দাখিল থেকে শুরু করে ট্যাক্স ডিডাক্টেড অ্যাট সোর্স (টিডিএস) জমা দেওয়া পর্যন্ত, আগামী কয়েক সপ্তাহে বেশ কয়েকটি বড় ডেডলাইন রয়েছে। নির্ধারিত এই সময়সীমার মধ্যে কর সংক্রান্ত কাজগুলো সম্পন্ন না করলে করদাতাদের জরিমানা, অতিরিক্ত সুদ এবং আইনি জটিলতার মুখোমুখি হতে হবে। সাধারণ মানুষের আর্থিক পরিকল্পনা ও দৈনন্দিন খরচের ওপর এর সরাসরি প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
টিডিএস জমা ও স্টেটমেন্টের সময়সীমা
জুলাই মাসে টিডিএস সংক্রান্ত দুটি বড় ডেডলাইন রয়েছে। আয়কর আইনের অধীনে এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিকের টিডিএস জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামী ৭ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে, যা নির্দিষ্ট কিছু অনুমোদিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। একই সাথে জুন মাসে শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকের নির্দিষ্ট ডিক্লিয়ারেশন ও নির্ধারিত ফর্ম আপলোড করার কাজও এই সময়ের মধ্যে সারতে হবে। এছাড়া, সরকারি দফতর, স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অনাবাসী বিনিয়োগকারীদের মতো বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের জন্যও জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে বেশ কিছু রিপোর্টিং সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অন্যদিকে, যাঁরা টিডিএস কেটে থাকেন, তাঁদের জুন ২০২৬-এর টিডিএস চালান-কাম-স্টেটমেন্ট আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে জমা দিতে হবে। এই সময়সীমা লঙ্ঘন করলে জরিমানা গুণতে হতে পারে।
৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আইটিআর দাখিল
চলতি মাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডেডলাইনটি হলো ৩১ জুলাই। আর্থিক বর্ষ ২০২৫-২৬ (অ্যাসেসমেন্ট ইয়ার ২০২৬-২৭)-এর জন্য আইটিআর-১ এবং আইটিআর-২ ফর্ম ব্যবহার করে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ এটি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই রিটার্ন জমা দিতে ব্যর্থ হলে করদাতাদের লেট ফি বা বিলম্ব ফি দিতে হবে। শেষ মুহূর্তের ভিড়ের কারণে আয়কর পোর্টালে কারিগরি ত্রুটি বা অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে, যার ফলে অনেক সময় প্রয়োজনীয় নথি থাকা সত্ত্বেও রিটার্ন জমা দেওয়া সম্ভব হয় না। তাই যেকোনো ধরনের আর্থিক ক্ষতি ও হয়রানি এড়াতে আগেভাগেই কর সংক্রান্ত সমস্ত কাজ সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।