মমতার একুশে জুলাই: ‘আসল তৃণমূল’-এর মঞ্চে আমন্ত্রণ পেলেন খোদ মমতা!

একুশে জুলাইয়ের দিনটি তৃণমূল কংগ্রেসের ক্যালেন্ডারে বরাবরই এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আবেগঘন দিন। কিন্তু চলতি বছর এই দিনটিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক জটিলতা। তৃণমূলের অন্দরে দুই শিবিরের দড়ি টানাটানির মাঝে, অবশেষে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অনুষ্ঠান করার অনুমতি পেল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত ‘আসল তৃণমূল’।
সোমবার বিকেলের দিকে মেয়ো রোডে গান্ধীমূর্তি চত্বরে সভার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে হাজির হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ রায়, স্নেহাশিষ চক্রবর্তী সহ দলের একাধিক নেতা ও বিধায়ক। এই পরিস্থিতির মধ্যেই সাংবাদিকরা প্রশ্ন তোলেন, একুশে জুলাইয়ের মূল প্রবক্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কি এই মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হবে?
উত্তরে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা সকলেই চাই ওনাকে পরামর্শদাতা হিসেবে। আমরা চাই উনি এই অনুষ্ঠানে আসুন।”
১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের সেই মর্মান্তিক ঘটনার স্মৃতি বিজড়িত দিনটিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ সময় ধরে তৃণমূলের মূল কাণ্ডারি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বর্তমানের রাজনৈতিক সমীকরণে, যখন পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতর হাতে, তখন তাঁকেই কি একুশে জুলাইয়ের ‘অতিথি’ হিসেবে আমন্ত্রণ জানাবে এই নতুন শিবির? এই প্রশ্নই এখন রাজনৈতিক মহলের আলোচনার কেন্দ্রে। একদিকে কালীঘাট শিবিরের পরবর্তী পদক্ষেপ যেমন অস্পষ্ট, অন্যদিকে ঋতব্রতর এই মন্তব্য কি কেবলই কৌশল, নাকি সমঝোতার ইঙ্গিত— তা নিয়েই চলছে বিস্তর জল্পনা।