“দম থাকলে ব্রিগেড ভরান!” একুশে জুলাইয়ের স্থান নিয়ে কালীঘাট তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ দিলীপের

“দম থাকলে ব্রিগেড ভরান!” একুশে জুলাইয়ের স্থান নিয়ে কালীঘাট তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ দিলীপের

কলকাতা: একুশে জুলাইয়ের সভার স্থান নির্বাচন নিয়ে তৃণমূলের দুই শিবিরের দড়ি টানাটানি তুঙ্গে। একদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের দাবি, তারাই ‘আসল তৃণমূল’ এবং তারাই মেয়ো রোডে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে শহিদ দিবস পালন করবে। অন্যদিকে, কালীঘাট তৃণমূলের জন্য বিকল্প জায়গা হিসেবে ব্রিগেডের প্রস্তাব দিলেও, সেখানে সভা করতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা। এই প্রেক্ষাপটেই কালীঘাট তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।

কী বললেন দিলীপ ঘোষ? বুধবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তিনি বলেন, “দম থাকলে ব্রিগেডে যান। কর্মী থাকলে ব্রিগেড ভরিয়ে দেখান। নাহলে বাড়িতে শহিদদের ছবিতে মালা দিন। বাড়িতে পালন করলে কি সম্মান জানানো হয় না?” ব্রিগেডে সভার প্রস্তাব পেয়েও কেন তারা পিছিয়ে আসছেন, তা নিয়ে কটাক্ষ করে দিলীপের দাবি, কর্মী সমর্থকের অভাবে মাঠ ভরাতে ভয় পাচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: দীর্ঘদিন ধরে ২১ জুলাই ধর্মতলায় সভা করে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে তৃণমূলের ভাঙনের জেরে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। পুলিশ ধর্মতলায় সভার অনুমতি দেয়নি। ঋতব্রতপন্থীরা গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভার অনুমতি পেলেও, কালীঘাট শিবিরের জন্য ব্রিগেডের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ব্রিগেড নিয়ে দোটানায় রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং কর্মী সমাগমের আশঙ্কা থেকেই এই সভা নিয়ে এত জটিলতা তৈরি হয়েছে।

যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই বলেছিলেন, জায়গা না মিললে প্রয়োজনে রিকশা নিয়ে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি পালন করবেন তিনি। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত একুশে জুলাইয়ে তৃণমূলের দুই শিবির কী কৌশল নেয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *