‘নোংরা চক্রান্ত হচ্ছে’, রাতেই হাতমাইক নিয়ে রাস্তায় মমতা! একুশের সভাকে ঘিরে চরমে উত্তেজনা

একুশে জুলাইয়ের শহিদ সভার ঠিক আগের রাতে চরম উত্তেজনা ছড়াল তিলোত্তমায়। বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে তৃণমূল কংগ্রেসের মূল সভামঞ্চ ভাঙচুর করার গুরুতর অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। খবর পেয়েই মাঝরাতে ঘটনাস্থলে ছুটে যান তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের দলের সভার সুরক্ষায় রাতভর সেখানেই পাহারায় বসে রইলেন তিনি।
খবরের মূল হাইলাইটস:
- মঞ্চে তাণ্ডব: তৃণমূলের অভিযোগ, গভীর রাতে বাইকে চেপে এসে বিজেপির আশ্রিত দুষ্কৃতীরা একুশে জুলাইয়ের জন্য তৈরি মঞ্চে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।
- রাতভর পাহারায় মমতা: ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে সোজা অকুস্থলে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাতভর সভামঞ্চ পাহারা দেন তিনি।
- কাঠগড়ায় বিজেপি ও প্রশাসন: গভীর রাতে হাতমাইক হাতে নিয়ে রাজ্য সরকার, পুলিশ-প্রশাসন এবং বিজেপির কড়া সমালোচনা করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, ঐতিহাসিক এই শহিদ সভাকে বানচাল করতেই পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে চক্রান্ত করছে বিজেপি।
প্রেক্ষাপট ও আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি: দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর কলকাতা হাইকোর্টের বিশেষ অনুমতি পেয়ে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে এই সভার আয়োজন করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। দ্রুততার সঙ্গে তৈরি করা হয়েছিল সুবিশাল মঞ্চ। কিন্তু সভার আগের মুহূর্তে এই নজিরবিহীন তাণ্ডবে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি।
আদালতের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে দুষ্কৃতীরা পুলিশের নাকের ডগায় এমন তাণ্ডব চালাল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, আইনি পথেই এই হামলার জবাব দেওয়া হবে এবং সুবিচারের দাবিতে তাঁরা পুনরায় আদালতের দ্বারস্থ হবেন। সভার আগের রাতে খোদ নেত্রীর এই রাতভর পাহারার ঘটনায় শহরের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পারদ এখন চরমে।