সংসদে সাসপেন্ড কল্যাণ, শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে গোপন ফোনালাপ ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক জল্পনা!
মহিলা সাংসদদের সঙ্গে অভব্য আচরণ এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে নিশানা করার অভিযোগে সংসদের চলতি বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড হলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মাস তিনেক আগে যে সহকর্মীরা তাঁর সঙ্গেই এক বেঞ্চে বসতেন, সেই বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, মালা রায় ও মিতালি বাগরা স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানোর পরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। কল্যাণ অবশ্য সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে দাবি করেছেন, তিনি দলে থেকেই বেইমানদের বিরুদ্ধে লড়াই চালাবেন এবং দল ছাড়ার তাঁর কোনও মানসিকতা নেই।
তবে এই সাসপেনশনের ঠিক পরেই সংসদ চত্বরে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ ও রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে কল্যাণের দীর্ঘ একান্ত আলাপচারিতা এবং পরবর্তীতে মহুয়া মৈত্রীর সেখানে যোগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে। শমীক জানিয়েছেন এটি নিছকই ব্যক্তিগত বা সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হলেও, তৃণমূলের অন্দরে ও বিরোধী শিবিরের চাপানউতোর বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, কল্যাণের সাসপেনশনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য মমতাপন্থী শিবিরের তরফে সৌগত রায় স্পিকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।