শাস্তির দিন শেষ! একরোখা খুদের আচরণ বদলাবে কি এই ৫ কৌশলে?

‘এখুনি পড়তে বসো, নয়তো পছন্দের জিনিস পাবে না’—ছোটবেলায় এই ভীতিপ্রদর্শনমূলক কথা শোনেননি এমন মানুষ পাওয়া ভার। বাবা-মায়ের কড়া শাসন ও শাস্তির ভয়ে অনেক সময় কাজ হাসিল হলেও, মনোবিদদের মতে আধুনিক প্রজন্মের কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে এই কৌশল হিতে বিপরীত হতে পারে। শাস্তির ভয়ে সাময়িকভাবে শিশু বা কিশোররা বশীভূত হলেও তাদের মনে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষোভ এবং আগ্রাসী মনোভাব তৈরি হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ছোটদের কথা না শোনার নেপথ্যে কেবল জেদ নয়, বরং মস্তিষ্কের বিকাশ ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাও জড়িয়ে থাকে। অতিরিক্ত কড়াকড়ি বা ভয়ের পরিবেশ তৈরি না করে, সন্তানের আচরণ সংশোধনে প্রয়োজন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি।
কঠোর শাস্তির পথ পরিহার করে অভিভাবকত্বে আনতে হবে বন্ধুসুলভ মনোভাব। সন্তানের কেবল ত্রুটি না ধরে, সঠিক কাজ করলে প্রশংসার সুযোগ তৈরি করুন এবং ভুল শুধরে দিয়ে সম্পর্ক মেরামতের অবকাশ দিন। যে কোনো নিয়ম চাপিয়ে না দিয়ে বরং তার যৌক্তিকতা সন্তানকে বোঝানো আবশ্যক, যাতে তারা নিজেদের আচরণের দায়বদ্ধতা শেখে। কৈশোরে নিয়মানুবর্তিতা শেখানোর পাশাপাশি সন্তানের মতামতের প্রতি সম্মান জানানো এবং তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণ বাড়াতে সহায়তা করাই প্রকৃত parenting-এর চাবিকাঠি।