শমীক ভট্টাচার্যের হুঁশিয়ারির পরেও কাটমানি ও তোলাবাজির দাপট কি থামবে না!

দলের কঠোর সতর্কবার্তা ও সাসপেনশনের সিদ্ধান্তকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাজ্যজুড়ে অব্যাহত রয়েছে তোলাবাজির একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। খোদ কলকাতার সরশুনায় এক গ্যারেজ মালিকের কাছে দশ হাজার টাকা তোলা চেয়ে না পেয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে ১২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি মন্ডল সভাপতি বিটু সরকারের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত ব্যবসায়ী ইতিমধ্যেই স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। একই ধরনের গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থেকেও, যেখানে এক সরকারি কর্মীর কাছে পাঁচ লক্ষ টাকা তোলার দাবি করা হয় এবং টাকা না দেওয়ায় মারধরের অভিযোগ ওঠে স্থানীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে।
দলের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রতিটি ঘটনা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখার এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে। তবে একের পর এক এমন ঘটনায় বিরোধী শিবির থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও নানা মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রাজ্যজুড়ে চলা এই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অস্থিরতার আবহ এখন কীভাবে সামাল দেয় শাসক ও বিরোধী শিবির, সেটাই দেখার।