পেটের মেদ ঝরাতে হাঁটা না দৌড়ানো? জেনে নিন ওজন কমানোর সঠিক উপায়
August 9, 20264:41 pm

ছিপছিপে ও মেদমুক্ত শরীর পাওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো পেটের জেদি চর্বি। এই ফ্যাট কমানোর জন্য কার্ডিও এক্সারসাইজের বিকল্প নেই। তবে অনেকেই দ্বিধায় পড়েন—পেটের মেদ দ্রুত কমাতে প্রতিদিন হাঁটা ভালো, নাকি দৌড়ানো?
দুটোই শারীরিক সুস্থতার জন্য দারুণ হলেও চর্বি ঝরানোর ক্ষেত্রে এদের কাজের ধরণে কিছু স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে:
- ক্যালোরি খরচে এগিয়ে দৌড়ানো: সময়ের হিসাবে হাঁটার তুলনায় দৌড়ালে প্রায় দ্বিগুণ ক্যালোরি বার্ন হয়। ফলে দ্রুত ফ্যাট ও পেটের চর্বি কমাতে দৌড়ানো বেশ কার্যকর।
- আফটারবার্ন ইফেক্ট (EPOC): দৌড়ানোর বড় সুবিধা হলো ব্যায়াম শেষ করার বহু ঘণ্টা পর পর্যন্ত শরীর বিশ্রামরত অবস্থাতেও ক্যালোরি পোড়াতে থাকে। হাঁটার ক্ষেত্রে এই প্রভাব কিছুটা কম।
- আঘাতের ঝুঁকি: দৌড়ানো একটি ‘হাই-ইমপ্যাক্ট’ ব্যায়াম। তাই অতিরিক্ত ওজন, বয়স বেশি বা হাঁটুর সমস্যা থাকলে হুট করে দৌড়ানো চোটের কারণ হতে পারে। অন্যদিকে, হাঁটা একটি ‘লো-ইমপ্যাক্ট’ ব্যায়াম, যা জয়েন্টে চাপ না ফেলে দীর্ঘমেয়াদে শরীর সুস্থ রাখে।
- মানসিক চাপ ও হরমোন: মানসিক চাপ সৃষ্টিকারী ‘কোর্টিসল’ হরমোনের কারণেও পেটে মেদ জমে। নিয়মিত দ্রুত হাঁটা এই হরমোনের মাত্রা কমিয়ে পরোক্ষভাবে পেটে মেদ জমতে বাধা দেয়।
আপনার জন্য কোনটি সঠিক?
- দৌড়াবেন কখন: দ্রুত ওজন ও পেটের মেদ কমাতে চান এবং শরীর যদি ভারী ব্যায়ামের উপযোগী হয়।
- হাঁটবেন কখন: ফিটনেসে নতুন, বয়সে জ্যেষ্ঠ কিংবা জয়েন্টের সমস্যা থাকলে নিয়ম করে দ্রুত হাঁটাই (Brisk Walking) সবচেয়ে নিরাপদ।
বিশেষ টিপস: চাইলে ‘ইন্টারভাল ট্রেনিং’ চেষ্টা করতে পারেন। অর্থাৎ ১-২ মিনিট দৌড়ানোর পর ২-৩ মিনিট দ্রুত হাঁটা। এতে জয়েন্টে চাপ কম পড়বে এবং মেদও ঝরবে দ্রুত!