১৪ অগস্ট ‘দেশ বিভাজন দিবস’ ও ১০ অগস্ট ‘তেরঙ্গা যাত্রা’: রাজভবন ও নবান্নের জোড়া কর্মসূচি

১৯৪৭ সালের দেশভাগের করুণ ট্র্যাজেডি এবং অগণিত মানুষের যন্ত্রণাকে শ্রদ্ধা জানাতে আগামী ১৪ অগস্ট রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘দেশ বিভাজন দিবস’ পালনের বিশেষ উদ্যোগ নিল লোকভবন। রবিবার রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য আর এন রবির নির্দেশনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। রাজ্যের সমস্ত সরকারি, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং তাদের অধীনস্থ কলেজগুলিতে এই দিনটি পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
লোকভবনের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দেশভাগের ভয়াবহ মাশুল সবচেয়ে বেশি দিতে হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গকে। অগণিত মানুষের প্রাণহানি এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিটেমাটি হারানোর ফলে বাংলার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছিল। নতুন প্রজন্মকে ইতিহাসের এই অন্ধকার অধ্যায় সম্পর্কে সচেতন করতেই রাজভবনের এই উদ্যোগ। পাশাপাশি, যেসব বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি সমাজে ফাটল ধরাতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার বার্তাও দেওয়া হয়েছে এতে।
উল্লেখ্য: ১৯৪৭ সালের ১৪ অগস্ট পাঞ্জাব ও বাংলাকে দ্বিখণ্ডিত করে পাকিস্তানের জন্ম হয় এবং ১৫ অগস্ট স্বাধীন ভারতের আত্মপ্রকাশ ঘটে।
অন্য দিকে, আসন্ন স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপনের অঙ্গ হিসেবে রাজ্য সরকারের তরফে ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ কর্মসূচির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই উপলক্ষে আগামী সোমবার (১০ অগস্ট) কলকাতায় একটি বিশাল পদযাত্রার আয়োজন করেছে প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই তেরঙ্গা মিছিলে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
উচ্চশিক্ষা দফতর (বিকাশ ভবন)-এর তত্ত্বাবধানে এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় এই পদযাত্রাটি আয়োজিত হচ্ছে। সোমবার দুপুর ১টায় আকাশবাণী ভবনের সামনে থেকে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল পর্যন্ত এই ঐতিহাসিক মিছিলটি যাবে, যেখানে সশরীরে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী।