সংস্কৃত ও বেদান্তচর্চায় বিশ্বমঞ্চে অনন্য স্বীকৃতি, ‘বেদান্তবিদ্যা-বিশ্বগুরু’ সম্মানে ভূষিত পণ্ডিত স্বামী ভদ্রেশদাস

সংস্কৃত ভাষা, বেদান্ত দর্শন এবং ভারতের প্রাচীন জ্ঞান-পরম্পরায় কালজয়ী অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিএপিএস (BAPS)-এর প্রখ্যাত পণ্ডিত ও দার্শনিক স্বামী ভদ্রেশদাস-কে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ‘বেদান্তবিদ্যা-বিশ্বগুরু’ সম্মানে ভূষিত করল নয়াদিল্লির কেন্দ্রীয় সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়।
গত ৯ অগস্ট নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক স্বামীনারায়ণ অক্ষরধামে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এই বিরল সম্মান তুলে দেওয়া হয়।
কেন এই ঐতিহাসিক সম্মান?
হিন্দু দর্শনে বেদান্তের তিন মূল ভিত্তি— উপনিষদ, ব্রহ্মসূত্র এবং শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা (যা একত্রে ‘প্রস্থানত্রয়ী’ নামে পরিচিত)—এগুলির ওপর সংস্কৃত ভাষায় নতুন ও বিস্তারিত প্রামাণ্য ভাষ্য রচনা করেছেন স্বামী ভদ্রেশদাস। তাঁর এই অসামান্য শাস্ত্রীয় সাধনা বেদান্ত জগতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। কেন্দ্রীয় সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শ্রীনিবাস ভারখেদি জানান, স্বামী ভদ্রেশদাস তাঁর রচনার মাধ্যমে ‘অক্ষর-পুরুষোত্তম দর্শন’-কে অত্যন্ত সুসংবদ্ধ শাস্ত্রীয় রূপ দিয়েছেন।
বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পণ্ডিত স্বামী ভদ্রেশদাসের সুগভীর বেদান্তচর্চার ভূয়সী প্রশংসা করেন দেশের বহু শীর্ষস্থানীয় পণ্ডিত ও আধ্যাত্মিক গুরু। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- শ্রী শ্রী বিশ্বপ্রসন্ন তীর্থ স্বামীজি (অধোক্ষজা মঠ, উদুপি)
- অধ্যাপক শ্রীনিবাস ভারখেদি (উপাচার্য, কেন্দ্রীয় সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়)
- অধ্যাপক সুকান্ত কুমার সেনাপতি (উপাচার্য, শ্রী সোমনাথ সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়)
- অধ্যাপক ভি. নারায়ণন, অধ্যাপক ওম্নাথ বিমলি-সহ আরও বহু প্রখ্যাত বিদ্বান।