“আমি ২০২৯ পর্যন্ত নির্বাচিত সাংসদ, পিছু হঠব না”— মাঝরাতে সার্কিট হাউস খালি করার নির্দেশে রুখে দাঁড়ালেন মহুয়া

“আমি ২০২৯ পর্যন্ত নির্বাচিত সাংসদ, পিছু হঠব না”— মাঝরাতে সার্কিট হাউস খালি করার নির্দেশে রুখে দাঁড়ালেন মহুয়া

শুক্রবার গভীর রাতে কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসের ঘর খালি করার নির্দেশকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে চরম রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের অভিযোগ, গভীর রাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে ফোন এবং মেসেজ পাঠিয়ে অবিলম্বে সার্কিট হাউস ত্যাগ করতে বলা হয়। পাশাপাশি, সেই সময় সার্কিট হাউসের বাইরে একটি বিশাল জমায়েত থেকে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল বলেও তিনি জানান।

মহুয়া মৈত্র এক্স (সাবেক টুইটার)-এ ঘটনাটি বিস্তারিত জানিয়ে জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি সার্কিট হাউসে পৌঁছান এবং যথারীতি তাঁকে নির্দিষ্ট ঘর বরাদ্দ করা হয়। রাত ৯টা ২০ মিনিটে খাবার পৌঁছানোর পর, রাত ৯টা ৪৭ মিনিট থেকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফোন আসা শুরু হয় এবং রাত ১০টা ৫২ মিনিটে লিখিত মেসেজে ঘর খালি করতে বলা হয়। একজন নির্বাচিত মহিলা সাংসদকে এভাবে অতিরিক্ত জেলাশাসকের মাধ্যমে মাঝরাতে ঘর ছাড়ার নির্দেশ দেওয়ায় তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে ট্যাগ করে স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তিনি ২০২৯ সাল পর্যন্ত একজন নির্বাচিত সাংসদ এবং প্রশাসনের এই অনৈতিক নির্দেশ মেনে তিনি ঘর ছাড়বেন না।

এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব লোকসভার স্পিকারের কাছে প্রশ্ন তুলেছেন যে, এটি সংসদীয় বিশেষাধিকারের লঙ্ঘন কি না। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার কড়া সমালোচনা করে জানান, এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং একজন মহিলা সাংসদের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করার নিকৃষ্ট মানসিকতা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *