১৭টি কার্যালয় না কি ৩৬০ কোটির খেলা? সুপ্রিম কোর্টে নিজেদের সওয়ালেই ফাঁস কালীঘাট তৃণমূল!

সুপ্রিম কোর্টে দলীয় অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলার শুনানিতে আইনজীবী কপিল সিব্বলের পেশ করা তথ্যকেই কালীঘাট তৃণমূলের বিরুদ্ধে মূল হাতিয়ার করল ঋতব্রত শিবির। সিব্বল আদালতে জানান, অ্যাকাউন্ট বন্ধ থাকায় দলের ১৭টি অফিসের ভাড়া বাবদ মাসে প্রায় ১ কোটি টাকা এবং ২৫০ জন কর্মীর বেতন বাবদ ৫৩ লক্ষ টাকার বেশি খরচ মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করেই সরব হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানান, ১৭টি পার্টি অফিসের অস্তিত্ব নিয়েই তীব্র সংশয় রয়েছে, কারণ বাস্তবে মাত্র দুই-তিনটি অফিসের তথ্যই প্রকাশ্যে এসেছে। পাশাপাশি ভুতুড়ে কর্মী ও বেতনের হিসেব নিয়ে আদালতের কাছে বিস্তারিত তদন্তের আবেদন জানানোর ইঙ্গিত দিয়েছে তাঁর শিবির।
সংঘাতের মাত্রা আরও বাড়িয়ে ঋতব্রত শিবিরের আইনজীবী দাবি করেছেন, ভোটের ফল প্রকাশের মাত্র ২০ দিনের মধ্যে তৃণমূলের অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে প্রায় ৩৬০ কোটি টাকা। বিপুল এই বিপুল অঙ্কের আর্থিক উৎসের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নতুন করে আইনি কাগজপত্র সাজানো শুরু করেছে বিরোধী গোষ্ঠী। অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন বিষয় নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকার করে বিতর্ক এড়ানোর চেষ্টা করেছেন তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন। দলীয় ফান্ড ঘিরে দুই শিবিরের এই টানা পোড়েনে রাজ্য রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।