ভুল খাবারে নষ্ট হচ্ছে না তো আপনার হোমিওপ্যাথি ওষুধের গুণ? ভুলেও খাবেন না এই বিষয়গুলো!

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতির মূল ভিত্তি হলো ‘লাইক কিওরস লাইক’ বা ‘সমঃ সমং শময়তি’ নীতি, যেখানে অত্যন্ত সূক্ষ্ম মাত্রায় ওষুধ প্রয়োগ করে শরীরকে রোগমুক্ত করা হয়। এই ওষুধগুলো প্রধানত মানবশরীরের স্নায়ুতন্ত্র, জীবনীশক্তি এবং জিহ্বার মিউকাস মেমব্রেনের মাধ্যমে শোষিত হয়ে কাজ করে। ফলে মুখের ভেতরের পরিবেশ যদি কড়া গন্ধ বা অম্ল দিয়ে ঢাকা থাকে, তবে ওষুধের কার্যকারিতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়। তাই সুফল পেতে হলে ওষুধ খাওয়ার অন্তত ১৫ থেকে ৩০ মিনিট আগে ও পরে যেকোনো খাবার বা পানীয় থেকে বিরত থাকা এবং পরিষ্কার জলে মুখ কুলি করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
চিকিৎসা চলাকালীন বেশ কিছু নির্দিষ্ট খাবার সেবনে কঠোর বিধিনিষেধ থাকে, কারণ তা ওষুধের শক্তিকে নিষ্ক্রিয় বা ধীরগতি করে দেয়। বিশেষ করে কাঁচা পেঁয়াজ-রসুন ও আদার তীব্র ভোলাটাইল অয়েল, কফির ক্যাফেইন, অতি-মসলাযুক্ত খাবার, কাঁচা তেঁতুল বা আচারের মতো অতিরিক্ত অম্ল এবং মেন্থলযুক্ত লজেন্স বা টুথপেস্ট মুখের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করে ফেলে। এ ছাড়া তামাক, মদ্যপান এবং হাতে স্পর্শ করে ওষুধ খাওয়াও চিকিৎসার প্রভাব অকেজো করে দেয়। তাই সঠিক পথ্য মেনে চলতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তবেই ওষুধ সেবন করা উচিত।