একই টুথব্রাশ মাসের পর মাস ব্যবহার করছেন? অকালেই হারাবেন দাঁত ও মাড়ি!

একই টুথব্রাশ মাসের পর মাস ব্যবহার করছেন? অকালেই হারাবেন দাঁত ও মাড়ি!

প্রতিদিন দু’বেলা নিয়ম করে দাঁত মাজা স্বাস্থ্যবিধির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে আপনি যে টুথব্রাশটি ব্যবহার করছেন, সেটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে কি না, তা খেয়াল রাখছেন তো? দন্ত চিকিৎসকদের মতে, বছরের পর বছর একই টুথব্রাশ ব্যবহার করার অভ্যাস আপনার দাঁত ও মাড়ির অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনছে। আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশন (ADA)-এর সুপারিশ অনুযায়ী, প্রতি ৩ থেকে ৪ মাস অন্তর টুথব্রাশ বা ইলেকট্রিক ব্রাশের হেড পরিবর্তন করা জরুরি। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ব্রাশের ব্রিসল বা রোঁয়া কার্যক্ষমতা হারায়, যা দাঁতের প্লাক ও ব্যাকটেরিয়া পরিষ্কার করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়। তদুপরি, ফ্লু বা যেকোনো শারীরিক অসুস্থতার পর, ব্রিসল নষ্ট হলে কিংবা বাচ্চার ব্রাশ দ্রুত নষ্ট হলে ৩ মাসের আগেই টুথব্রাশ বদলে ফেলা উচিত।

মেয়াদোত্তীর্ণ ও পুরনো টুথব্রাশ ব্যবহার করলে দাঁতে দ্রুত প্লাক ও শক্ত টারটার জমা হতে শুরু করে, যা পরবর্তীতে ক্যাভিটি তৈরি করে। ক্ষয়ে যাওয়া রুক্ষ ব্রিসলের ঘর্ষণে মাড়ির নরম টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে মাড়ি থেকে রক্তপাত এবং ‘জিঞ্জিভাইটিস’-এর মতো মারাত্মক প্রদাহ দেখা দিতে পারে। এছাড়া বাথরুমের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে রাখা পুরনো ব্রাশের গোড়ায় লাখ লাখ ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধে, যা থেকে মুখের ঘা এমনকি পেটের রোগ হতে পারে। তাই বড় ধরনের দাঁতের সমস্যা ও চিকিৎসার খরচ এড়াতে ব্রাশ ধুয়ে খোলা বাতাসে শুকানো এবং নির্দিষ্ট সময় পর পর ব্রাশ পরিবর্তন করা অত্যন্ত আবশ্যক।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *