আইএএস তুকারামের চোখকে ফাঁকি দেওয়া আসাম্ভব! রেস্তরাঁয় পনির অর্ডার করতেই যা ঘটল

আইএএস তুকারামের চোখকে ফাঁকি দেওয়া আসাম্ভব! রেস্তরাঁয় পনির অর্ডার করতেই যা ঘটল

মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)-এর কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বন্ধুদের সঙ্গে নৈশভোজে গিয়ে নিজের কাজের প্রতি এক অনন্য নিষ্ঠার প্রমাণ দিলেন ২০০৫ ব্যাচের আইএএস কর্মকর্তা তুকারাম মুন্ডে। এক বন্ধুর আমন্ত্রণে রেস্তরাঁয় গিয়ে তিনি শুরুতেই লক্ষ করেন প্রতিষ্ঠানটির বাধ্যতামূলক খাদ্য লাইসেন্সটি সঠিকভাবে দৃশ্যমান নয় এবং পানীয় জলের ব্যবস্থাতেও ঘাটতি রয়েছে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন তাঁর এক বন্ধু পনিরের একটি পদ অর্ডার করেন। খাবার টেবিলে আসতেই তুকারামের তীক্ষ্ণ নজর এড়িয়ে যেতে পারেনি খাবারের গুণমান; তিনি তাত্ক্ষণিকভাবে ধরে ফেলেন যে পরিবেশন করা পনিরটি আসলে ভেজাল এবং বন্ধুকে তা খেতে বারণ করেন।

নিয়ম লঙ্ঘনের বিষয়টি সামনে আসতেই তিনি রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিক ত্রুটি তুলে ধরেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো কঠোর আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে, স্বাস্থ্যবিধি ও লাইসেন্সসংক্রান্ত সমস্যাগুলো শুধরে নেওয়ার জন্য রেস্তরাঁটিকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দেন এই শীর্ষ আধিকারিক। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাজ্যে খাদ্য নিরাপত্তায় কড়াকড়ি শুরু করেছেন তুকারাম। গত দুই মাসে এফডিএ আধিকারিকরা ৩,১০০টিরও বেশি অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৬৫টি লাইসেন্স স্থগিত করেছেন এবং ৭৫০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছেন। জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে কঠোর পদক্ষেপের জন্য কিছু সমালোচনা হলেও, নিজের অবস্থানে অনড় থেকে নিয়ম মেনে কাজ চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *