পাক গুপ্তচর সন্দেহে ধৃত দিনহাটার ৩, ‘ষড়যন্ত্রের শিকার’ দাবি পরিবারের

কোচবিহারের দিনহাটা ও সাহেবগঞ্জ এলাকা থেকে পাক গুপ্তচর (ISI) সন্দেহে গ্রেফতার হওয়া তিন অভিযুক্তকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠিয়েছে দিনহাটা মহকুমা আদালত। ধৃতরা হলেন রশিদুল হক, নাসির উদ্দিন আলি এবং সফিকুল। তবে ধৃতদের পরিবারের দাবি, ভুল বোঝাবুঝি ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন তাঁরা।
কুশারহাটের বাসিন্দা রশিদুল হকের স্ত্রী ও বাবার বক্তব্য, তিনি মূলত একজন পরিযায়ী শ্রমিক। দীর্ঘ দিন বেঙ্গালুরুতে রাজমিস্ত্রির কাজ করার পর এক বছর হলো বাড়ি ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার কুর্শার হাট বাজার থেকে তাঁকে পুলিশ তুলে নিয়ে যায় এবং মধ্যরাতে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে। পরিবারের স্পষ্ট কথা, রশিদুল কোনোভাবেই দেশবিরোধী কাজ বা জাল নোট/সিমকার্ডের কারবারে যুক্ত নন।
অন্যদিকে, তুফানগঞ্জের দেওচড়াইয়ের বাসিন্দা নাসির উদ্দিন আলির পরিবারও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। স্থানীয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ১০ হাজার টাকা বেতনে নাইট গার্ডের কাজ করতেন নাসির। তাঁর পরিবারের সন্দেহ, নাসিরের নামে অন্য কেউ সিম কার্ড তুলে অন্যায় কাজে ব্যবহার করে থাকতে পারে। শারীরিকভাবে অসুস্থ নাসিরের স্ত্রী জানান, চিকিৎসার জন্য কিছুদিন আগেই স্বামীকে বেঙ্গালুরু নিয়ে যাওয়া হয়েছিল; এমন অবস্থায় তাঁর পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির মতো কাজে জড়ানো আসাম্ভব।