অভাব আর একরাশ অভিযোগের ছায়া! কীভাবে শেষ হলো ময়নাগুড়ির ঐতিহাসিক জল্পেশ শ্রাবণী মেলা?

নানা অভাব, অনিয়ম এবং ভক্তদের চরম ক্ষোভের মধ্য দিয়েই সাঙ্গ হলো ময়নাগুড়ির ঐতিহ্যবাহী জল্পেশ শ্রাবণী মেলা। শ্রাবণের শেষ সোমবারে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জল্পেশ মন্দিরে ভক্তদের ঢল নামলেও, পরিষেবা নিয়ে উঠেছিল ভুরি ভুরি অভিযোগ। মেলা শুরুর দিকে মন্দির সংলগ্ন পুকুরের নোংরা জল নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হলে পরবর্তীতে তা পরিষ্কার করা হয়। তবে মেলার দিনগুলোতে পানীয় জলের তীব্র সংকট এবং দূরবর্তী ও অপরিচ্ছন্ন শৌচালয় নিয়ে ভক্তদের চরম নাজেহাল হতে হয়েছে। এমনকি সেখানে দায়িত্বরত সিভিল ডিফেন্সকর্মী ও মেডিকেল ক্যাম্পের স্বাস্থ্যকর্মীরাও পর্যাপ্ত পানীয় জল না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
দূর-দূরান্ত থেকে আসা পুণ্যার্থীরা সার্বিক ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত ও সুবিধাজনক করার দাবি জানিয়েছেন। যদিও টিকিটের দর ৪০ টাকা রাখা এবং ভিআইপি সুবিধা বন্ধ করার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকে। মেলার এই অব্যবস্থা ও পানীয় জলের সংকট নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অস্বস্তিতে পড়েন জল্পেশ মন্দির কমিটির সম্পাদক গিরেন্দ্রনাথ দেব। তিনি পাল্টা প্রশ্ন তুলে অভিযোগকারীদের তাঁর সামনে আসার আহ্বান জানান এবং শৌচালয়ের সমস্যাটি ভবিষ্যতে সমাধানের আশ্বাস দেন। সব মিলিয়ে একরাশ তিক্ত অভিজ্ঞতা ও ক্ষোভকে সঙ্গে নিয়েই শেষ হলো এবারের শ্রাবণী মেলা।