তারাপীঠে হোটেল অগ্নিকাণ্ড! প্রাণ বাঁচাতে কি পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন কেউ?

তারাপীঠের ‘বিদেশিনী’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়টি প্রাণহানির ঘটনার পর এবার শুরু হয়েছে নতুন রহস্যের সন্ধান। সোমবার ভোরে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার জেরে মঙ্গলবার সকালে হোটেলের পাশের পুকুরে চিরুনি তল্লাশি চালায় এনডিআরএফের বিশেষ প্রতিনিধি দল। আগুনের ভয়াবহ লেলিহান শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া থেকে প্রাণ বাঁচাতে কোনো আবাসিক ওই পুকুরের জলে ঝাঁপ দিয়েছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। স্পিডবোট ও প্রশিক্ষিত ডুবুরি নামিয়ে পুকুরের গভীর তলদেশ পর্যন্ত তন্নতন্ন করে তল্লাশি করা হচ্ছে, যাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের সময় হোটেলের জরুরি গেট বন্ধ ছিল এবং কাজ করেনি কোনো অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রও, যার জেরে হোটেল মালিকের ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মেঘালয়ের পাঁচ বাসিন্দার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এবং আলিপুরদুয়ারের চারজনের ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম গাফিলতির এই মর্মান্তিক ঘটনায় গোটা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং পুলিশি তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।