বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক জলঘোলা! হাই কোর্টের বড় নির্দেশে বিপাকে ঋতব্রত?

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বীকৃতি সংক্রান্ত মামলায় তাৎপর্যপূর্ণ রায় দিল কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। স্পিকারের সিদ্ধান্তে আপাতত সরাসরি হস্তক্ষেপ না করলেও বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে, ঋতব্রতের এই পদে থাকা সম্পূর্ণ ‘অস্থায়ী’। আগামী দুই মাসের মধ্যে সিঙ্গল বেঞ্চকে মামলাটির চূড়ান্ত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা মনোনীত করে স্পিকারকে চিঠি দেওয়া সত্ত্বেও তা উপেক্ষিত হয়। উল্টে দলবিরোধী কাজের জন্য বহিষ্কৃত ঋতব্রত ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থনে নিজেকে বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করলে স্পিকার তা গ্রহণ করেন, যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে।
এই জটিল পরিস্থিতিতে মামলাটি আদালতের দ্বারস্থ হলে ডিভিশন বেঞ্চ স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলে। তৃণমূলের প্রথম চিঠি উপেক্ষা করে বহিষ্কৃত বিধায়কের দাবি কেন গ্রহণ করা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। স্পিকারের আইনজীবীর মতে, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন থাকায় স্পিকারের অন্য পথ ছিল না। তবে আদালত স্পষ্ট করেছে, আগামী দুই মাসের মধ্যে সিঙ্গল বেঞ্চের চূড়ান্ত ফয়সালার পরেই নির্ধারণ হবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ।