গণেশ চতুর্থী ২০২৬ এ বছরের শুভ মুহূর্ত এবং পৌরাণিক গুরুত্ব

সনাতন ধর্মে বিঘ্নহর্তা গণেশ হলেন প্রথম পূজ্য দেবতা। যেকোনো শুভ কাজ, বিদ্যাচর্চা বা বাণিজ্যের সূচনায় তাঁর আরাধনা আবশ্যক। পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, মা পার্বতীর কায়মনোভাব থেকে সৃষ্টি হওয়া গণেশ শিবের ত্রিশূলে মস্তক হারানোর পর গজমুণ্ড লাভ করে পুনর্জীবন পান। ভাদ্র মাসের এই জন্মতিথিই বিশ্বজুড়ে গণেশ চতুর্থী হিসেবে পালিত হয়। অতীতে মারাঠা শাসক শিবাজীর সময় থেকে এই উৎসবের বিস্তার ঘটলেও ১৮৯৩ সালে লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলক গণেশ পূজাকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে সর্বজনীন রূপ দেন। ২০২৬ সালে ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের এই পুণ্য তিথিতে আবারও ঘরে ঘরে শুরু হতে চলেছে গণপতি বাপ্পার আবাহন।
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার উদযাপিত হবে গণেশ চতুর্থী। ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ০৬ মিনিটে চতুর্থী তিথি শুরু হয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে শেষ হবে। মধ্যাহ্ন পূজা ও প্রতিমা স্থাপনের শুভ সময় ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টা ০২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত। এই দিন বেদি সাজিয়ে শুদ্ধাচারে রক্তচন্দন, লাল জবা এবং ২১টি দুর্বা অর্পণ করে পূজার বিধান রয়েছে। প্রভুর প্রিয় মোদক ও ফল ভোগ দিয়ে একশত আট বার মন্ত্র জপে এবং প্রদীপ প্রজ্জ্বলনে সংসারের বাস্তুদোষ ও দারিদ্র্য দূর হয় বলে ভক্তরা বিশ্বাস করেন।