পাইন পাতা ও বুনো আমেই মিলবে কোটি কোটি টাকা, বদলে যাচ্ছে হিমাচলের গ্রাম
August 21, 20267:03 pm

রাজ্যের বনজ সম্পদ ও পশুপালন ভিত্তিক অর্থনীতিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে হিমাচল প্রদেশ সরকার। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ, আধুনিক উপাত্ত এবং প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে বনজ সম্পদের টেকসই বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য ইন্ডিয়ান স্কুল অফ বিজনেসের ভারতী ইনস্টিটিউট অফ পাবলিক পলিসি (ISB-BIPP)-এর সাথে বন বিভাগের ৫ বছরের একটি চুক্তি (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
‘কাউন্টিং গ্রিন ওয়েলথ’ শীর্ষক রিপোর্ট অনুযায়ী, হিমাচলের বনজ আমলকী (৮,৭০০ কোটি), পাইন পাতা (৫,৫০০ কোটি), বুনো আম (৪,৮০০ কোটি), ওয়াইল্ড অলিভ বীজ (২,৪০০ কোটি) এবং রোডোডেনড্রন ফুল (১,২০০ কোটি)—এই পাঁচটি প্রধান জৈবিক সম্পদের আনুমানিক মোট বাজারমূল্য প্রায় ২২,৬০০ কোটি টাকা।
উদ্যোগটির প্রধান দিকসমূহ:
- প্রযুক্তি ও উপাত্ত ব্যবহার: স্যাটেলাইট চিত্র ও এআই (AI) চালিত ‘ফরেস্ট ইন্টেলিজেন্স প্ল্যাটফর্ম’ পালামপুর বন বিভাগে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে।
- গোষ্ঠীভিত্তিক স্বাবলম্বন: গ্রামবাসী ও মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠী পরিচালিত উৎপাদক সংস্থাকে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনে উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে।
- মেষপালক পোর্টাল: ‘হিমাচল প্রদেশ মেষপালক নীতি ২০২৬’-এর অধীনে তৈরি পোর্টালটি হিম পরিবার, ভারত পশুধন ও অন্যান্য জাতীয় ব্যবস্থার সাথে যুক্ত থাকবে।
- পরিবেশ রক্ষা ও আয় বৃদ্ধি: বনে দাবানলের জন্য দায়ী পাইন পাতাকে বাণিজ্যিকভাবে জ্বালানি ও হস্তশিল্পে ব্যবহার করা হবে। এতে একদিকে দাবানলের ঝুঁকি কমবে, অন্যদিকে আমলকী, বেল ও থাঙ্গির মতো বনজ সম্পদ বিক্রির মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষের উপার্জন বাড়বে।