বউকে ফেরাতে অঘটন, প্রতিবেশীকে ডেকে খাইয়ে মাথা কেটে ঠাকুরঘরে পুঁতল প্রৌঢ়

বউকে ফেরাতে অঘটন, প্রতিবেশীকে ডেকে খাইয়ে মাথা কেটে ঠাকুরঘরে পুঁতল প্রৌঢ়

দশ বছর আগে ছেড়ে চলে গিয়েছেন স্ত্রী, তাঁকে যে কোনো মূল্যে ফেরত পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন স্বামী। এই অন্ধবিশ্বাসের আশায় প্রতিবেশী গ্রামের পঁয়তাল্লিশ বছর বয়সি সন্তোষ খারসেল নামের এক ব্যক্তিকে নিমন্ত্রণ জানান অভিযুক্ত সাহু। খাওয়ার পর অতিথি ঘুমিয়ে পড়তেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর গর্দান কেটে আলাদা করে দেন তিনি। এরপর কাটা মুণ্ডুটি নিজের ঠাকুরঘরের মেঝেতে পুঁতে রেখে ধড়টি ফেলে দেন স্থানীয় পুকুরে। গত ১৮ আগস্ট নিখোঁজ হওয়ার পর ২০ আগস্ট দেহ উদ্ধার হতেই তদন্তে নামে পুলিশ। নিখোঁজের আগে সন্তোষকে সাহুর সঙ্গেই শেষবার দেখা গিয়েছিল বলে জানতে পারেন তদন্তকারীরা।

আটক করে জেরা করতেই প্রথমে বচসার কারণে খুন বলে দাবি করলেও পরে আসল সত্য স্বীকার করেন সাহু। তিনি জানান, বহু বছর আগে চলে যাওয়া স্ত্রীকে ‘কালো জাদু’ বা অন্ধবিশ্বাসের সাহায্যে ফিরিয়ে আনতেই এই নৃশংস কাণ্ড ঘটিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ব্যক্তি ও অভিযুক্তের মধ্যে পূর্বে কোনো পরিচয় ছিল না, সে দিনই তাঁদের প্রথম দেখা হয়। মাথা কেটে ঠাকুরঘরে পুতে রাখার এই ভয়ঙ্কর ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুরো বিষয়টি গভীরতার সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *