‘আগে জেল, তারপর শুনানি’: সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা তরুণ তেজপালের, ২ সপ্তাহে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

নয়াদিল্লি: ২০১৩ সালের বহুল আলোচিত ধর্ষণ ও যৌন নিগ্রহের মামলায় ফের চরম বিপাকে প্রাক্তন ‘তহেলকা’ সম্পাদক তরুণ তেজপাল। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অলোক আরাধের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, শীর্ষ আদালতে আপিলের শুনানি শুরুর আগে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ৬৩ বছর বয়সি তেজপালকে আত্মসমর্পণ করতেই হবে। জেলের সমর্পণপত্র জমা পড়ার পরেই আদালত তাঁর আবেদনের মূল বিষয় নিয়ে শুনানি করবে। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ২২ সেপ্টেম্বর।
সম্প্রতি বম্বে হাইকোর্টের গোয়া বেঞ্চ নিম্ন আদালতের খালাসের রায় বাতিল করে তরুণ তেজপালকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা শোনায়। সেই সাজা স্থগিত রাখতে এবং জেলে না গিয়ে সরাসরি আপিল করার অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। তেজপালের আইনজীবী কপিল সিবাল যুক্তি দেন, ঘটনার পর বহু বছর কেটে গেছে, তেজপাল প্রবীণ নাগরিক এবং জামিনে থাকাকালীন তিনি আদালতের সমস্ত নির্দেশ মেনে চলেছেন। তাই আপিলের শুনানি শেষ হওয়া পর্যন্ত তাঁকে জেলে পাঠানো অহেতুক।
তবে গোয়া সরকারের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এর কড়া বিরোধিতা করেন। তিনি সুপ্রিম কোর্টের ২০১৩ সালের নিয়ম স্মরণ করিয়ে দিয়ে জানান, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে আত্মসমর্পণ না করে আপিল করার সুযোগ নেই।
দুই পক্ষের যুক্তিসংঘাত শেষে শীর্ষ আদালত তেজপালের অব্যাহতির আবেদন পুরোপুরি খারিজ করে দেয় এবং তাঁকে আত্মসমর্পণের শেষ সময়সীমা বেঁধে দেয়।