নেপালের ধ্বংসলীলায় কি বেজিংয়ের হাত! আগাম সতর্কতা নিয়ে প্রশ্ন তুলল খোদ কাঠমাণ্ডু!

নেপালে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভয়াবহ হড়পা বান ও ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় কাঠমাণ্ডুর অন্দরে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। তিব্বত সীমান্তের কাছে চিনের নির্মাণকাজ এবং প্রাকৃতিক নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলেই এই বিপর্যয় ডেকে আনা হয়েছে বলে স্থানীয় একাধিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও সংবাদমাধ্যমে জোরালো দাবি করা হয়েছে। সমালোচকদের মতে, তিব্বতের গিরং শহরের কাছে হিমালয়ের সংবেদনশীল ইকোসিস্টেমের ক্ষতি করার কারণে এই আকস্মিক হড়পা বান দেখা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, চিনের তরফ থেকে আগাম কোনো সতর্কবার্তা না দেওয়ায় ভাটির দিকে থাকা সাধারণ মানুষের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন নেপালের একাংশ সাংবাদিক ও স্থানীয় প্রশাসন।
অন্যদিকে, নেপালের বিরুদ্ধে ওঠা এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছে বেজিং। চিনের দাবি, কোনো মানবসৃষ্ট ত্রুটির কারণে নয়, বরং একটি বিশাল হিমবাহের অংশ ভেঙে পড়ার ফলেই এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটেছিল। নেপালে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত স্পষ্ট জানিয়েছেন যে এই সংকটকে তাদের দেশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং নিখোঁজদের উদ্ধার ও ত্রাণকার্য চালানোর ক্ষেত্রে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হচ্ছে। তিব্বতকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে চিন সাফ জানিয়েছে যে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা এই সমস্ত অসত্য ও ভিত্তিহীন অভিযোগের নেপথ্যে কোনো বাস্তব প্রমাণ নেই।