পাকা বাড়ি ছেড়ে ঝুপড়ি, বন্ধুর ‘গাড়ি’! অন্নপূর্ণার ভয়ে সেন্সাসে তথ্য গোপনের হিড়িক

পাকা বাড়ি ছেড়ে ঝুপড়ি, বন্ধুর ‘গাড়ি’! অন্নপূর্ণার ভয়ে সেন্সাসে তথ্য গোপনের হিড়িক

রাজ্যে জনসংখ্যা গণনার (সেন্সাস) কাজ শুরু হতেই বিপাকে পড়েছেন গণনাকর্মীরা। অন্নপূর্ণা যোজনার মতো সরকারি প্রকল্পের ভাতা বা সুবিধা হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই নিজেদের সম্পত্তির সঠিক তথ্য দিতে চাইছেন না বলে অভিযোগ উঠে আসছে।

পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা থেকে বীরভূমের সিউড়ি—সর্বত্রই প্রায় একই ছবি। কোথাও চোখের সামনে থাকা গাড়ি বা বাইক নিজেদের নয় বলে দাবি করা হচ্ছে, আবার কোথাও সরকারি বাড়ি পাওয়ার আশায় পাকা বাড়ি ছেড়ে ঝুপড়িতে থাকার অভিনব সব কৌশল দেখা যাচ্ছে। গণনাকর্মীদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সেন্সাসের প্রশ্নের চেয়েও ‘অন্নপূর্ণার টাকা কেন পাওয়া যাচ্ছে না’—এই ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি বেশি হতে হচ্ছে।

প্রশাসনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) অনুযায়ী গণনাকর্মীদের কাজ শুধু মানুষের দেওয়া তথ্য নথিবদ্ধ করা; তা সরেজমিনে যাচাই বা পরীক্ষা করার কোনো এখতিয়ার তাঁদের নেই। ফলে ভুল বা আসাম্পূর্ণ তথ্য সরকারি ডেটাবেসে ঢুকে পড়ার প্রবল ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। জনগণনা এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি যে সম্পূর্ণ আলাদা, তা বুঝিয়েও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সেন্সাস কর্মীদের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *