হিমালয়ের বরফ গলা জল কেড়ে নিল আট শতাধিক প্রাণ, চিনের উদাসীনতাই কি ডেকে আনল এই সর্বনাশা বিপর্যয়?

মহাপ্রলয়ের পর পেরিয়ে গিয়েছে পাঁচ দিন। সময় গড়ার সঙ্গে সঙ্গে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এই ভয়ংকর বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত ৮০৪টি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং তিন হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। এই ধ্বংসলীলার নেপথ্যে চিনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জানা গিয়েছে, হিমবাহ ধসে হড়পা বানের ঠিক তিন মাস আগে কাঠমান্ডুতে এই দুর্যোগের ঝুঁকি নিয়ে দু’পক্ষের বৈঠক হয়েছিল। নেপালের পক্ষ থেকে হিমবাহের গতিবিধি ও জলস্তরের তথ্য চাওয়া হলেও, চিনের অসহযোগিতায় প্রয়োজনীয় তথ্য সময়মতো পাওয়া যায়নি।
নেপালের তরফে জানানো হয়েছে, তিব্বত অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস মিললেও তুষারধস বা হ্রদের জলস্তর সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চিনের কাছ থেকে মেলেনি। যদিও চিনের দূতাবাস সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে যে দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে এবং পর্যাপ্ত তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে। এদিকে, ভয়াবহ এই পরিস্থিতির জেরে অজ্ঞাতপরিচয় ও পচনশীল মৃতদেহ শনাক্তকরণের কাজ ব্যাহত হওয়ায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে গণকবরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ভবিষ্যতে পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি মরদেহের সঙ্গে নথি ও শনাক্তকরণ নম্বর রাখা হচ্ছে।