৫৭০ বছরের প্রাচীন মন্দির ছাই! নেপথ্যে কি শরণার্থী ষড়যন্ত্র? দাউদাউ করে জ্বলছে জাপানের ঐতিহ্য

জাপানজুড়ে ঐতিহাসিক মন্দির ও তীর্থস্থানগুলিতে ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গত ৩১ আগস্ট দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিন্তো তীর্থস্থান ইসে জিঙ্গুর নিকটবর্তী শপিং আর্কেডে ভয়াবহ আগুন লাগার পরদিন সানিও-ওনোদা শহরের ৫৭০ বছরের প্রাচীন সেইয়ানজি মন্দির পুড়ে ছাই হয়ে যায়। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই জাপানের অন্তত নয়টি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উপাসনালয়ে রহস্যজনকভাবে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘনঘন অগ্নিকাণ্ড স্রেফ সমাপতন নয় বলে মনে করছেন অনেকেই। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় স্থানে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ায় জনমানসে উদ্বেগ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই ধারাবাহিক অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে শরণার্থীদের হাত রয়েছে বলে সোশাল মিডিয়ায় তীব্র গুঞ্জন ও অভিযোগ উঠলেও প্রশাসন তা সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে। জাপান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শরণার্থীদের সঙ্গে এসব অগ্নিকাণ্ডের কোনো যোগসূত্র থাকার এখনও পর্যন্ত কোনো প্রমাণ মেলেনি। উলটো সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, গত এক দশকে দেশটির উপাসনালয়গুলিতে অগ্নিকাণ্ডের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। শিন্তো ধর্মাবলম্বী প্রধান এই রাষ্ট্রে ধর্মীয় স্থান পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শেষ পর্যন্ত এই রহস্যের নেপথ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশাসনিক তদন্তের অপেক্ষা করছেন দেশবাসী।