জোড়া-ফুল কার? ১২ সেপ্টেম্বর দিল্লির দরবারে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী, চরম অস্বস্তিতে ঘাসফুল শিবির

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের ঠিক আগেই ঘাসফুল শিবিরে চরম রাজনৈতিক সংকট। দলীয় নাম ও ‘জোড়া-ফুল’ প্রতীক ব্যবহারের অধিকার দাবি করে নির্বাচন কমিশনের দরবারে পৌঁছেছে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই পৃথক গোষ্ঠী। এই দ্বন্দ্ব মেটাতে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর, শনিবার দিল্লির দ্বারকায় অবস্থিত ‘ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট’ (IIIDEM)-এ দুই পক্ষকেই শুনানির জন্য তলব করেছে কমিশন।
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও ত্রিপুরায় স্বীকৃত রাজনৈতিক দল হিসেবে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক নিজেদের বলে দাবি জানিয়ে পৃথক আবেদন জমা পড়েছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব অশ্বনী কুমার মো হাল স্বাক্ষরিত চিঠিতে দুই পক্ষকে এক ঘণ্টার ব্যবধানে তলব করা হয়েছে:
- সকাল ১১টা: ঋতব্রত ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীর ৫ সদস্যের প্রতিনিধিদলকে শুনানির সময় দেওয়া হয়েছে।
- বেলা ১২টা: মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীর ৫ সদস্যের প্রতিনিধিদলকে ডাকা হয়েছে।
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, উভয় পক্ষকেই তাদের প্রতিনিধিদলের সদস্য তালিকা এবং গাড়ির বিবরণ আগেই ইমেলের মাধ্যমে পাঠাতে হবে।
আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। হাতে মাত্র আর কয়েক দিন বাকি থাকা অবস্থায় দুই পক্ষই একই নাম ও প্রতীকে প্রার্থী দিতে চাওয়ায় নির্বাচন কমিশনের এই শুনানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কমিশন শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার ওপরই নির্ভর করছে এই দুই কেন্দ্রের রাজনৈতিক চিত্র।