‘সৌদির ওপর আক্রমণ মানেই আমাদের ওপর হামলা’, হুথি দমনে যৌথ সামরিক ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

‘সৌদির ওপর আক্রমণ মানেই আমাদের ওপর হামলা’, হুথি দমনে যৌথ সামরিক ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

সৌদি আরবের জ্বালানি পরিকাঠামো লক্ষ্য করে হুথি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৭৩ জন আহত হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্কের মধ্যে গত মাসে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’ বা ‘মক্কা চুক্তি’ প্রথমবারের মতো বাস্তবায়িত হতে চলেছে। আর এই যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিচ্ছে পাকিস্তান।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইয়েমেনি সংঘাত সৌদি ভূখণ্ডে ছড়িয়ে পড়লে বা সৌদির ওপর আগ্রাসন বাড়লে পাকিস্তান হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। চুক্তির মূল নীতি অনুযায়ী, জোটের তিন দেশের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে তা সব সদস্য দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। প্রয়োজনে হুথিদের বিরুদ্ধে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক যৌথ সামরিক পদক্ষেপ নেবে।

তবে ইসলামাবাদ স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করেছে যে এটি কোনো আক্রমণাত্মক যুদ্ধজোট নয়, বরং সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক একটি চুক্তি। কোনো দেশ নিজে থেকে আগে আক্রমণ করবে না; কেবল সদস্য রাষ্ট্র আক্রান্ত হলেই যৌথ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরব যদি এই হামলার জবাবে ইয়েমেনের অভ্যন্তরে ফের বড় ধরনের স্থল অভিযান শুরু করে, তবেই ‘মক্কা চুক্তি’র আসল অগ্নিপরীক্ষা ঘটবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *