সীমান্ত সুরক্ষা ও ধর্মান্তর রোধে কঠোর আইন! ধর্মীয় সভা থেকে রাজ্যকে নতুন দিকনির্দেশ শুভেন্দুর

সীমান্ত সুরক্ষা ও ধর্মান্তর রোধে কঠোর আইন! ধর্মীয় সভা থেকে রাজ্যকে নতুন দিকনির্দেশ শুভেন্দুর

নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘রাম কথা’ অনুষ্ঠানের সূচনা পর্বে রাজ্য রাজনীতির ভবিষ্যৎ রূপরেখা ও নীতিগত অবস্থানের কথা স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ড. কুমার বিশ্বাসের উপস্থিতিতে এই আধ্যাত্মিক মঞ্চ থেকেই তিনি বিরোধী ও পূর্ববর্তী শাসকদের তীব্র আক্রমণ করেন। রামচন্দ্রকে অপমানকারীদের সাধারণ মানুষ যোগ্য জবাব দেবে উল্লেখ করে তিনি ভবানীপুর নির্বাচনের উদাহরণ টেনে আনেন।

অনুষ্ঠান থেকে রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) প্রয়োগ এবং ধর্মান্তরকরণ রোধে কড়া আইন আনার স্পষ্ট ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রী। তোষণের রাজনীতি চিরতরে বন্ধের ঘোষণা করে তিনি জানান, ইমাম ভাতাসহ নানা অনুদান ইতোমধ্যে বন্ধ করা হয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষা ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোখাকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিএসএফ-কে ৯০ শতাংশ জমি বুঝিয়ে দেওয়ার কথা জানান তিনি। একইসঙ্গে গো-সুরক্ষায় ১৯৫০ সালের ‘ক্যাটল অ্যাক্ট’ কার্যকর করা এবং নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখার বার্তা পুনর্ব্যক্ত করেন।

ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক শৃঙ্খলা রক্ষায় বেশ কিছু বড় সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নির্দেশ দেন, মহালয়ার আগে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা যাবে না এবং মহাষ্টমীর দিন রাজ্যজুড়ে সব মদের দোকান পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি মাদ্রাসায় ‘বন্দে মাতরম’ বলা বাধ্যতামূলক করার হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, অমান্য করলে নেওয়া হবে আইনি ব্যবস্থা। আগামী দিনে ব্রিগেডে পাঁচ লক্ষ মানুষের গীতা পাঠ, হনুমান চালিশা পাঠ ও হাজার কুণ্ডের যজ্ঞের মতো বৃহৎ ধর্মীয় আয়োজনের কথা তুলে ধরে তিনি ছোটবেলা থেকেই শিশুদের সনাতন সংস্কার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *