“সনাতনীরা আজ স্বাধীন!” টিটাগড়ে গণেশ পুজোর অনুষ্ঠান থেকে বামেদের তোপ অর্জুনের

ব্যারাকপুর: মহারাষ্ট্রের আদলে এ বার ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলেও সাড়ম্বরে উদযাপিত হচ্ছে গণেশ চতুর্থী। সোদপুর, টিটাগড়, জগদ্দল ও কাঁকিনাড়ার মণ্ডপগুলিতে কেবল ধর্মীয় আবেগই নয়, স্পষ্ট হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক আকচাআকচিও। পালাবদলের পর এ বার একাধিক বড় পুজোর উদ্বোধনে বিজেপির মন্ত্রী ও শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতি উৎসবের আবহকে রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
বাণিজ্যিক উন্নতি ও স্বাধীনতার দাবি সোদপুরের ‘গণপতি কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন’-এর পুজোর উদ্বোধন করে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই গণেশ পুজো এমন ব্যাপকতা পেয়েছে। এই আরাধনার হাত ধরেই বাংলার বাণিজ্য ও অর্থনীতির শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন। অন্যদিকে, টিটাগড়ের ‘বীর বালক সমিতি’-র মণ্ডপ থেকে পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং বলেন, আগের সরকারের আমলে উৎসব পালনে যে বাধার মুখে পড়তে হতো, তা কেটে গিয়ে সনাতনী হিন্দুরা এখন স্বাধীনভাবে পুজো করতে পারছেন।
উৎসবে রাজনীতি ও বিতর্কের সুর পুজোর মঞ্চ থেকে প্রতিপক্ষ বামেদের বিরুদ্ধেও সুর চড়ান অর্জুন সিং। দুর্গাপুজোকে ‘শারদ উৎসব’ আখ্যা দেওয়া নিয়ে বামেদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি জানান, এই অবস্থান থেকে না সরলে রাজনৈতিকভাবে তীব্র প্রতিহত করা হবে। ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মঞ্চকে এভাবে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া ও প্রতিপক্ষকে আক্রমণের ক্ষেত্র বানিয়ে তোলা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে।