‘ইচ্ছাকৃত ধাক্কা নয়, নিছক দুর্ঘটনা!’ গলফ কোর্স রোডের ঘটনায় সাফাই অভিযুক্তের

‘ইচ্ছাকৃত ধাক্কা নয়, নিছক দুর্ঘটনা!’ গলফ কোর্স রোডের ঘটনায় সাফাই অভিযুক্তের

গুরুগ্রামের গলফ কোর্স রোডে মহিলা বাইকার সিয়াকে ধাক্কা মারার ঘটনায় এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন অভিযুক্ত গাড়িচালক কল্যাণ বনসল ও তাঁর আইনজীবী। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া হেলমেট ক্যামেরার ভিডিওর ওপর ভিত্তি করে মামলা দায়ের হলেও, অভিযুক্ত পক্ষ সমস্ত দায় ঠেলে দিয়েছে বাইকারদের দিকেই।

ঘটনা ও মূল অভিযোগ

  • বাইকারের দাবি: সিয়া ও তাঁর বন্ধুরা বাইক নিয়ে যাওয়ার সময় একটি সাদা গাড়ি তাঁদের পিছু নেয়। বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও গাড়ির চালক মত্ত অবস্থায় ইচ্ছাকৃত ভাবে ধাক্কা মারেন।
  • আঘাত ও সিসিটিভি: বাইক থেকে রাস্তায় ছিটকে পড়ে সিয়ার হাত-পায়ে চোট লাগে। তবে সেফটি গিয়ার থাকার কারণে বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পান তিনি। হেলমেট ক্যামেরার ফুটেজ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত FIR দায়ের করে।

চালকের পাল্টা দাবি ও আইনজীবীর যুক্তি

  • অতিরিক্ত গতি ও স্টান্ট: চালক কল্যাণ বনসলের দাবি, বাইকাররা নিজেই অত্যন্ত বিপজ্জনক ভাবে বাইক চালাচ্ছিলেন। ওভারটেক করে বারবার গাড়ির গতি কমিয়ে দিচ্ছিলেন তাঁরা। বাইকে যে কোনো মহিলা ছিলেন, তা তিনি জানতেন না।
  • ভিউ আর ফলোয়ার্সের লোভ: অভিযুক্তের আইনজীবী অভিষেক চৌহানের স্পষ্ট দাবি, সিয়া ঘণ্টায় ১৪০-১৭০ কিমি গতিতে বাইক চালাচ্ছিলেন। কেবল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিউ ও ফলোয়ার্স বাড়ানোর লোভেই এই ভিডিওটি তৈরি করে ভাইরাল করা হচ্ছে।

পুলিশি তদন্ত ভিডিওতে দেখা গাড়ির নম্বর (HR30Y4949) ধরে পুলিশ জানতে পেরেছে, গাড়িটির আসল মালিক সেনাবাহিনীতে কর্মরত মনীশ নামের এক ব্যক্তি। ঘটনার দু’দিন আগে বন্ধু কল্যাণ তাঁর থেকে গাড়িটি নিয়ে যান। পুলিশ চালক কল্যাণের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে, তবে তিনি এখনো গ্রেপ্তার হননি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *