প্রশংসা ও সতর্কতা! মার্কিন মাদক তালিকায় ভারতের নাম, তবুও মোদীর উদ্যোগে মুগ্ধ ট্রাম্প
.jpg.webp?w=800&fit=800,533&ssl=1)
ভারতে বেআইনি আফিম চাষ রোধ ও সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পদক্ষেপকে প্রকাশ্যে সাধুবাদ জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে প্রশংসার পরক্ষণেই ২০২৭ সালের জন্য ভারতকে আবারও ‘প্রধান মাদক উৎপাদনকারী বা পাচার পথ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে আমেরিকা। ফলে ওয়াশিংটনের তরফ থেকে নয়াদিল্লির কাছে একই সাথে এল প্রশংসার বার্তা এবং নজরদারির কড়া সতর্কবার্তা।
মার্কিন তালিকায় স্থান ও আমেরিকার যুক্তি মার্কিন বিদেশ দপ্তর ২০২৭ সালের জন্য বিশ্বের ২৩টি দেশকে নিয়ে মাদক সংক্রান্ত একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় ভারতের পাশাপাশি রয়েছে আফগানিস্তান, চীন, পাকিস্তান, মেক্সিকো ও কলম্বিয়ার মতো দেশ। তবে মার্কিন প্রশাসনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই তালিকায় নাম থাকা মানেই সংশ্লিষ্ট সরকারের ব্যর্থতা নয়। মূলত ভৌগোলিক অবস্থান, বিশাল বাণিজ্য পথ এবং অর্থনৈতিক গতিশীলতার কারণেই অনেক দেশ সক্রিয় অভিযান চালানো সত্ত্বেও এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত হয়।
দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা মার্কিন বিদেশ দপ্তর জানিয়েছে, বেআইনি পোস্ত চাষ বন্ধ এবং কঠোর নজরদারির ক্ষেত্রে ভারতের উদ্যোগকে ট্রাম্প স্বাগত জানিয়েছেন। ভারত-মার্কিন ‘ড্রাগ পলিসি ফ্রেমওয়ার্ক’-এর অধীনে দুই দেশ আন্তর্জাতিক মাদক পাচার বন্ধে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাবে।
আমেরিকার অন্দরের ছবি ও নতুন উদ্বেগ নিজের দেশের অভ্যন্তরীণ সাফল্য তুলে ধরে ট্রাম্প দাবি করেছেন, সীমান্তে কড়াকড়ি করার ফলে মার্কিন মুলুকে মাদক ওভারডোজে মৃত্যু ১৪ শতাংশ এবং প্রাণঘাতী ফেন্টানিল-সংক্রান্ত মৃত্যু ২২ শতাংশ কমেছে। তবুও ফেন্টানিলের নতুন শক্তিশালী রূপ নিয়ে হোয়াইট হাউস উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে মার্কিন সামরিক বাহিনী ব্যবহার করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
সারমর্মে, মোদী সরকারের মাদকবিরোধী পদক্ষেপকে ট্রাম্প প্রশংসায় ভরালেও কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে আন্তর্জাতিক মাদক মানচিত্রে ভারতের ওপর সতর্ক নজর রাখছে আমেরিকা।