‘চাইলে তৃণমূলের সব অফিস পুড়িয়ে দিতাম!’ রোজগার মেলায় সুকান্তের বিস্ফোরক মন্তব্য

‘চাইলে তৃণমূলের সব অফিস পুড়িয়ে দিতাম!’ রোজগার মেলায় সুকান্তের বিস্ফোরক মন্তব্য

কলকাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে আয়োজিত কেন্দ্রীয় সরকারের ‘রোজগার মেলা’র মঞ্চ থেকে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার। সারাদেশে ৫১ হাজারের বেশি চাকরিপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার এই মেলা থেকেই আসন্ন উপনির্বাচন ও রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি।

‘পার্টি অফিস পোড়ানোর সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করি না’ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত মজুমদার দাবি করেন, চাইলে বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের সমস্ত পার্টি অফিস ভেঙে বা পুড়িয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু তাঁরা সেই হিংসার সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করেন না। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর খোদ মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র ভবানীপুরে বিজেপির পার্টি অফিস পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, অতীতে রাজ্য সভাপতি থাকাকালীন তাঁকেও এবং দলের কর্মীদের লাগাতার ধমক ও হুমকির মুখোমুখি হতে হয়েছিল।

‘তৃণমূলের এক্সপায়ারি ডেট শেষ’ নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে শাসকদলের প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের প্রসঙ্গ টেনে সুকান্তবাবু কটাক্ষ করে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের ‘মেয়াদ’ এবার ফুরিয়ে এসেছে। নন্দীগ্রামে তৃণমূল প্রার্থী তুলে নিয়ে কংগ্রেসকে সমর্থন করার সিদ্ধান্তকেও তিনি কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তাঁর প্রশ্ন— এতদিন যখন রাজ্য়ে কংগ্রেস কর্মীদের মারধর করা হতো, তখন রাহুল গান্ধী চুপ ছিলেন কেন? আর এখন হঠাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শ শুনছেন।

প্রতীক বিতর্ক ও জয়ের আত্মবিশ্বাস দলীয় প্রতীক সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “জোড়া ফুল তো আর ছিঁড়ে দু’জনকে ভাগ করে দেওয়া সম্ভব নয়! তাই প্রতীক ফ্রিজ করে কমিশন একদম সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে।” একই সঙ্গে আগামী ৬ অক্টোবরের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর— দুটি কেন্দ্রেই ভারতীয় জনতা পার্টি বড় ব্যবধানে জয়ী হবে বলে দৃঢ় বিশ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *