উৎসবের মুখেই বড় ধামাকা! এক দিনে ৫১ হাজার যুবক-যুবতীর হাতে চাকরির নিয়োগপত্র

উৎসবের মরসুমে দেশের যুবক-যুবতীদের জন্য বড় সুখবর! ২০তম ‘রোজগার মেলা’র মাধ্যমে সারা দেশজুড়ে একযোগে ৫১ হাজারেরও বেশি নবনিযুক্ত প্রার্থীর হাতে তুলে দেওয়া হলো সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র। শনিবার দেশের ৪৫টি কেন্দ্র থেকে একযোগে এই কর্মসূচি পরিচালিত হয়।
কলকাতায় নিয়োগপত্র প্রদান তালিকায় পিছিয়ে নেই বাংলাও। কলকাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে একাধিক চাকরিপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত রাখা হয়েছে। আগে যেখানে স্টাফ সিলেকশন কমিশন (SSC)-এর নিয়োগ সম্পূর্ণ হতে ১২ থেকে ১৫ মাস সময় লাগত, তা কমিয়ে এখন ৮ থেকে ৯ মাসে আনার কাজ চলছে।
১২.৭৫ লক্ষ নিয়োগের মাইলফলক সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিগত ২০টি রোজগার মেলার মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ১২.৭৫ লক্ষ যুবক-যুবতী কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন সংস্থায় চাকরি পেয়েছেন। রেল, প্রতিরক্ষা, স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য, রাজস্ব ও আর্থিক পরিষেবা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকে এই নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে।
‘২০৪৭ সালের বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্য’ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নবনিযুক্ত কর্মীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, “উৎসবের মরসুমে ৫১ হাজারের বেশি তরুণ-তরুণী দেশসেবার কাজে যুক্ত হলেন। ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তোলার যাত্রায় যুব সমাজ ও নারী শক্তির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” সরকারি পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কর্মীদের ‘নাগরিক দেব ভব’ নীতি মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
বেসরকারি ক্ষেত্রেও মিলবে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তা শুধু সরকারি চাকরিই নয়, বেসরকারি ক্ষেত্রকে চাঙ্গা করতে ‘প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা’-র কথা মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রকল্পের অধীনে প্রথমবার বেসরকারি সংস্থায় চাকরিতে যোগ দেওয়া তরুণ-তরুণীরা সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক প্রণোদনা (Incentive) পাবেন।
নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের কর্মদক্ষতা বাড়াতে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘কর্মযোগী’ প্ল্যাটফর্মের ইতিবাচক ভূমিকা এবং নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়েও অনুষ্ঠানে আলোকপাত করা হয়।