সাবধান! যখন-তখন ব্যথার ওষুধ খেলেই বিকল হতে পারে কিডনি, বড় সতর্কবার্তা CDSCO-র

সাবধান! যখন-তখন ব্যথার ওষুধ খেলেই বিকল হতে পারে কিডনি, বড় সতর্কবার্তা CDSCO-র

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মুড়ি-মুড়কির মতো ব্যথার ওষুধ (NSAIDs) ও অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার অভ্যাসে বড়সড় কোপ বসাল কেন্দ্র। যথেচ্ছ ব্যবহারে কিডনি বিকল হওয়া-সহ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে দেখে কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অধীনস্ত ‘Central Drugs Standard Control Organisation’ (CDSCO)-এর নিউ ড্রাগস ডিভিশন।

কেন বাড়ছে কিডনি রোগের ঝুঁকি? সার্কুলারে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, না বুঝে দীর্ঘদিন ধরে বা বারবার ব্যথানাশক ও অ্যান্টিবায়োটিক খেলেই বিপদে পড়তে পারে কিডনি। কোনো উপসর্গ ফিরে এলে নিজের চিকিৎসায় ওষুধ না খেয়ে অবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কড়া আইনের আওতায় ওষুধ বিক্রি:

  • Schedule H: অধিকাংশ ব্যথার ওষুধ (NSAIDs) এই তালিকার অধীন। তাই রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া এগুলো খুচরো বিক্রি করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
  • Schedule H1: বেশিরভাগ অ্যান্টিবায়োটিক কড়া নিয়মের আওতায় রয়েছে। প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোনো ফার্মাসিস্টই এটি বিক্রি করতে পারবেন না।

সাধারণ মানুষের জন্য জরুরি নির্দেশ:

  • সেলফ-মেডিকেশন বন্ধ করুন: নিজের মতো অ্যান্টিবায়োটিক বা ব্যথানাশক খাওয়া একেবারেই এড়িয়ে চলুন।
  • পুরো কোর্স শেষ করুন: চিকিৎসকের দেওয়া নির্দিষ্ট ডোজ ও সঠিক মেয়াদে ওষুধ খান।
  • ওষুধ শেয়ার করবেন না: আপনার প্রেসক্রিপশনের ওষুধ কখনোই অন্য কাউকে খাওয়ার পরামর্শ দেবেন না।
  • কিডনির সমস্যা থাকলে আগে জানান: যাঁদের কিডনির আগে থেকে কোনো সমস্যা বা ঝুঁকি আছে, তাঁরা ব্যথার ওষুধ নেওয়ার আগে ডাক্তারকে বিষয়টি নিশ্চিত জানান।

ডাক্তার ও ফার্মাসিস্টদের জন্য কড়া বার্তা: রোগীর বয়স, শারীরিক অবস্থা ও পুরোনো রোগের ইতিহাস খতিয়ে দেখেই চিকিৎসকদের ব্যথানাশক ও অ্যান্টিবায়োটিক লেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে অযথা অ্যান্টিবায়োটিকের সংমিশ্রণ বা দীর্ঘদিন তা চালানো বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে। বিক্রেতা ও ফার্মাসিস্টদের প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ না বেচার কড়া নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং হাসপাতালগুলিতে ওষুধের পর্যালোচনার ওপর নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে CDSCO।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *