মিড-ডে মিলে কাতলা মাছ ও রসগোল্লা! ব্যাঁটরার স্কুলে মুখ্যমন্ত্রীর খাস ‘উপহার’

হাওড়া: মঙ্গলবার স্কুলের খুদে পড়ুয়াদের পাশে বসে সানন্দে সাধারণ মিড-ডে মিল খেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তার ঠিক পরদিনই ব্যাঁটরা মধুসূদন পাল চৌধুরী হাইস্কুলের পড়ুয়াদের জন্য পৌঁছে গেল বিশেষ রাজকীয় ‘উপহার’। মুখ্যমন্ত্রীর পাঠানো কাতলা মাছ আর মিষ্টি রসগোল্লা পেয়ে আনন্দে আত্মহারা স্কুলের শিক্ষক থেকে ছাত্ররা!
হঠাৎ রাতে এল বিশেষ ফোন মঙ্গলবার হাওড়ার ব্যাঁটরা মধুসূদন পাল চৌধুরী হাইস্কুলের বিশেষ অনুষ্ঠানে এসে পড়ুয়াদের সঙ্গে বসে গল্প করতে করতে মিড-ডে মিলের খাবার গ্রহণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানকার সার্বিক পরিবেশ ও আপ্যায়নে অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন তিনি। এর পরই মঙ্গলবার রাত ৮টা নাগাদ প্রধান শিক্ষক তন্ময় চক্রবর্তীর কাছে একটি ফোন যায়। জানানো হয়, মুখ্যমন্ত্রী সন্তুষ্ট হয়ে সমগ্র স্কুলের জন্য খাবারের উপহার পাঠাচ্ছেন।
৮৫০ জনের পাত পেড়ে রাজকীয় ভোজ খবর পাওয়া মাত্রই স্কুলে শুরু হয় জোর প্রস্তুতি। বুধবার দুপুরের খাবারের টেবিলে সাধারণ মেনুর বদলে হাজির হয় ধোঁয়া ওঠা গরম ভাত, সুস্বাদু কাতলা মাছের কালিয়া এবং শেষ পাতে রসগোল্লা। শুধু পড়ুয়ারাই নয়, স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মী মিলিয়ে প্রায় ৮৫০ জনের জন্য এই বিশেষ দুপুরের খাবারের আয়োজন করা হয়।
স্কুলে যেন ‘পিকনিকের’ আমেজ মুখ্যমন্ত্রীর এই উপহারে পুরো স্কুলে তৈরি হয় উৎসবের মেজাজ। স্কুলের প্রধান শিক্ষক তন্ময় চক্রবর্তী বলেন, “আজকে আমাদের স্কুলে একদম পিকনিকের মেজাজ। গতকাল মুখ্যমন্ত্রী এসে পড়ুয়াদের সাথে খাবার খেয়েছিলেন। তিনি খুশি হয়ে আজ ছাত্র-শিক্ষক সবার জন্য মাছ ও রসগোল্লা পাঠিয়েছেন। আমরা এই উপহার পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত এবং ওঁকে অন্তর থেকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।”
সম্প্রতি মিড-ডে মিলের মেনু পরিবর্তন ও খাবার সরবরাহ নিয়ে বিভিন্ন মহলে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল, তার মাঝে মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলেই দেখছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকেরা।