কোন শিরা কাটলে দ্রুত মৃত্যু? গুগলে সার্চ করে ক্লাসরুমেই সহপাঠীকে খুনের চেষ্টা!

বই নিয়ে সামান্য বচসা, আর তার পরিণতিতে ক্লাসরুমের ভেতরেই সহপাঠীর ওপর প্রাণঘাতী হামলা! কলকাতার এক প্রথম সারির নামী বেসরকারি স্কুলে ঘটে গেল এক শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। নবম শ্রেণির এক ছাত্রের বিরুদ্ধে তারই সহপাঠীর গলায় ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপ মারার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।
ঠাণ্ডা মাথায় ছক ও গুগল সার্চ স্কুল সূত্রের খবর, এই হামলাটি কোনো আকস্মিক উত্তেজনার বশে ঘটেনি। অভিযুক্ত নাবালক ছাত্রটি অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় পুরো পরিকল্পনাটি সাজিয়েছিল। শরীরের ঠিক কোন শিরা কাটলে দ্রুত মৃত্যু হতে পারে এবং নাবালক হওয়ার কারণে আইনের চোখে সাজা কম হবে কিনা—এই সমস্ত তথ্য সে আগে থেকেই গুগলে সার্চ করে বিশদ খোঁজখবর নিয়েছিল বলে অভিযোগ।
শিক্ষকের উপস্থিতিতেই ঘটল রক্তারক্তি ঘটনার সময় ক্লাসরুমে শিক্ষক উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও দুই ছাত্রের বচসা হঠাৎই হাতাহাতিতে রূপ নেয়। মুহূর্তের মধ্যে ধারাল অস্ত্র বের করে সহপাঠীর ওপর হামলা চালায় অভিযুক্ত। রক্তপাত হতে দেখে ক্লাসরুমে থাকা শিক্ষক ও কর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্কুলের ইনফার্মারিতে নিয়ে যান। আঘাত গুরুতর হওয়ায় পরবর্তীতে তাকে ই.এম. বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সুরক্ষায় বড় প্রশ্ন চিহ্ন আহত ছাত্রটি হাওড়ার ধর্মতলা লেনের বাসিন্দা। এই হানায় তার গলা ও বাঁ হাতের আঙুলে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে এবং পরিবারকেও খবর দেওয়া হয়েছে। তবে এই ঘটনার পর স্কুলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে মারাত্মক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কড়া নজরদারি এড়িয়ে কীভাবে ক্লাসরুমের ভেতরে ধারাল অস্ত্র পৌঁছাল, তা নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ ও উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল।