পড়ুয়াশূন্য ৪০ স্কুল! নদীয়ায় আসল সত্য উন্মোচনে শুরু নজিরবিহীন তদন্ত

নদীয়া জেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের ৪০টি পড়ুয়াশূন্য স্কুলের বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জেলা শিক্ষাদপ্তর ফিল্ড ভেরিফিকেশন শুরু করেছে। কালীগঞ্জ, করিমপুর ও চাপড়ার মতো প্রত্যন্ত এলাকায় একদিকে যখন পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবে পঠনপাঠন ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ উঠছে, অন্যদিকে শহরের বহু স্কুলে প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত শিক্ষক রয়েছেন। এই বৈপরীত্যের মধ্যেই ১৫টি প্রাথমিক ও ২৫টি মাধ্যমিক স্কুলের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় পোর্টালে নথিভুক্ত তথ্যের সঙ্গে বাস্তব পরিকাঠামো, ভবন ও জমির অবস্থান মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। একইসঙ্গে শিক্ষক পদায়ন ও কম পড়ুয়া থাকা স্কুল থেকে শিক্ষকদের বদলির প্রক্রিয়াও শুরু করেছে দপ্তর।
তদন্তের অংশ হিসেবে স্কুল ভবনগুলির মাপজোখ নেওয়া হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে এগুলি বিকল্প সরকারি ও জনপরিষেবামূলক কাজে ব্যবহার করা যায়। এবিটিএ-র মতে শিক্ষক সংকটের কারণেই অভিভাবকরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন, অন্যদিকে বিরোধীদের দাবি পূর্বের অনিয়মের কারণেই এই পরিস্থিতি। পুরো রাজ্যে পড়ুয়াশূন্য স্কুলের সংখ্যা নিয়ে ইউডাইস প্লাসের রিপোর্ট ও সরকারি পরিসংখ্যানে ধন্দ থাকলেও, নদীয়ায় শিক্ষক পুনর্বিন্যাস এবং সরকারি সম্পত্তির যথাযথ ব্যবহার সুনিশ্চিত করতেই শিক্ষা প্রশাসন এই পদক্ষেপ নিয়েছে।