যুদ্ধ থামানোর লড়াইয়ে ভারত! পুতিন-জেলেনস্কির মাঝে নয়া শান্তির বার্তার কদর কিয়েভে

রাশিয়া ও ইউক্রেনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ থামাতে এবার জোরদার কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। বিশ্বমঞ্চে শান্তি ফেরাতে কিয়েভের কাছে মোট চারটি আলাদা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব এসেছে। ভারত, তুরস্ক, মিশর এবং আমেরিকার তরফে এই প্রস্তাবগুলি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী আন্দ্রিই সিবিহা। তবে আন্তর্জাতিক মহলের নজর কেড়েছে ইউক্রেনীয় মন্ত্রীর একটি বিশেষ দাবি—এই সমস্ত উদ্যোগের মধ্যে ভারতের প্রস্তাবটিই সবচেয়ে ব্যাপক এবং গ্রহণযোগ্য।
কোন দেশের কী প্রস্তাব?
- ভারতের উদ্যোগ: প্রথমবারের মতো রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতে মধ্যস্থতা ও শান্তি প্রক্রিয়ায় সরাসরি বড় ভূমিকা নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে ভারত। কিয়েভ জানিয়েছে, ভারতের প্রস্তাবটি বেশ সুদূরপ্রসারী।
- আমেরিকা ও তুরস্ক-মিশরের প্রস্তাব: আমেরিকার মূল প্রস্তাবের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে জ্বালানি ক্ষেত্রে যুদ্ধবিরতি, যা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যেও আলোচনা হয়েছে। অন্যদিকে, তুরস্ক ও মিশরের প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য কৃষ্ণসাগরে শস্য ও কৃষিপণ্য রফতানির পথ মসৃণ করা।
পুতিনের মুখে মোদীর প্রশংসা এরই মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পুতিনের মতে, ইউক্রেন সংঘাত মেটাতে মোদী সবসময় সচেষ্ট এবং তাঁর কাছে এই সংকট সমাধানের অত্যন্ত ইতিবাচক ও ভালো ভাবনা রয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব শান্তিপূর্ণ উপায়ে এই যুদ্ধের অবসান ঘটানোর প্রয়াসের জন্য মোদীর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন রুশ প্রেসিডেন্ট।
প্রথম থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে এসেছেন যে, যুদ্ধ দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়; একমাত্র কূটনীতি এবং আলোচনার মাধ্যমেই শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতের এই মধ্যস্থতার ভূমিকা এখন কতটা কার্যকর হয়, সেটাই দেখার!