‘দুবাইয়ে সমুদ্রের হাওয়া খাব, ওখানেই যেন কবর হয়!’ ভোটের ফল বেরোতেই বিস্ফোরক হুমায়ূন কবীর

রেজিনগর উপনির্বাচনের ভোটগণনার উত্তেজনার মধ্যেই এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন চাঞ্চল্য সৃষ্টি করলেন ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ (AJUP)-র শীর্ষ নেতা হুমায়ূন কবীর। ভোটের ফল পুরোপুরি প্রকাশের আগেই রাজনীতি ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। তবে রেজিনগরে গেরুয়া শিবিরের জয় একপ্রকার স্পষ্ট হতেই আরও এক ধাপ এগিয়ে সরাসরি দেশ ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন এই নেতা।
শুক্রবার রেজিনগর কেন্দ্রের ভোটগণনায় বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা নিশ্চিত হতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন হুমায়ূন। নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, “২০২৯ সালে আমার বয়স ৬৬ বছর হবে। জীবনের বাকি দিনগুলো দুবাইয়ে গিয়ে শান্তিতে কাটাব, খাওয়া-দাওয়া করব, ঘুরব আর সমুদ্রের হাওয়া উপভোগ করব। এমনকি আমার কবরও যেন ওখানকার মাটিতেই হয়।”
তবে দুবাই পাড়ি দেওয়ার এই ইচ্ছার মাঝে উঠে এসেছে তাঁর আগের এক চর্চিত প্রতিশ্রুতি। উল্লেখ্য, গত বছর রেজিনগরে ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েই তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নিজস্ব দল গড়েছিলেন তিনি এবং চলতি বিধানসভা নির্বাচনে নওদা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। প্রতিশ্রুতি অপূর্ণ রেখেই তিনি দেশ ছাড়ছেন কি না—এই প্রশ্নের জবাবে বিধায়ক স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “মসজিদ নির্মাণ সম্পন্ন না করে আমি এক পা-ও নড়ব না। মসজিদ কমপ্লিট করে তবেই দুবাই যাব, এই দায়িত্ব আমি নিজের কাঁধেই নিয়েছি।”
রেজিনগরের এই হাইভোল্টেজ রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মুহূর্তে হুমায়ূনের এই দ্বিমুখী মন্তব্য রাজ্য রাজনীতির অন্দরে নতুন রাজনৈতিক চর্চা ও জল্পনার জন্ম দিয়েছে।